• ঢাকা বৃহস্পতিবার
    ০৭ মে, ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩

বিপিএলের ফিক্সিং ইস্যুতে ক্রিকেটারসহ ৫ জন সাময়িক নিষিদ্ধ

প্রকাশিত: মে ৭, ২০২৬, ০৭:৩১ পিএম

বিপিএলের ফিক্সিং ইস্যুতে ক্রিকেটারসহ ৫ জন সাময়িক নিষিদ্ধ

ক্রীড়া ডেস্ক

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বিপিএলের ১২তম টি-টোয়েন্টি আসরে দুর্নীতি, বেটিং (জুয়া) এবং তদন্তে অসহযোগিতায় একজন খেলোয়াড়, কর্মকর্তা ও ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকসহ ৪ জন ও অপরজনের বিরুদ্ধে  বেশ কয়েকটি আসরে ফিক্সিং কান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (৭ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে বিসিবি।

মূলত প্রধান অভিযুক্ত ও অভিযোগসমূহ তদন্তে দুর্নীতিমূলক আচরণ, তথ্য গোপন করা এবং বিসিবির অ্যান্টি-করাপশন কর্মকর্তাদের কাজে বাধা দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। অভিযুক্তরা হলেন— টিম ম্যানেজার মো. লাবলুর রহমান; তার বিরুদ্ধে তদন্তে অসহযোগিতা এবং তথ্য বা যোগাযোগ মাধ্যম (যেমন মেসেজ বা কল রেকর্ড) মুছে ফেলে তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

ফ্র্যাঞ্চাইজি সহ-মালিক মো. তৌহিদুল হক তৌহিদের বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তার চাহিদা অনুযায়ী তথ্য প্রদান না করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ধ্বংস বা গোপন করার অভিযোগ রয়েছে।

ঘরোয়া ক্রিকেটার অমিত মজুমদারের বিরুদ্ধে ক্রিকেট ম্যাচের ফলাফল বা গতির ওপর সরাসরি বা পরোক্ষভাবে বাজি ধরার অভিযোগ রয়েছে।

অন্যদিকে, টিম ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে ক্রিকেট ম্যাচে বাজি ধরার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। চার ব্যক্তিকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য তাদের ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে।

বিপিএলের ৯ম, ১০ম এবং ১১তম আসরে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ড, খেলোয়াড়দের কুপ্রস্তাব দেওয়া এবং আন্তর্জাতিক জুয়াড়ি চক্রের সঙ্গে যোগাযোগের দায়ে সামিনুর রহমান নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ‘বর্জন আদেশ’ জারি করা হয়েছে। তিনি নিজের দোষ স্বীকার করে নিয়েছেন এবং বিসিবির এই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন। এর ফলে তিনি বিসিবি-সংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারবেন না।

এদিকে, বিপিএলের সবশেষ দুই আসরে অনিয়মের বিভিন্ন চিত্র তুলে ধরেছেন বর্তমান সভাপতি তামিম ইকবাল। তার দাবি, কোনো চুক্তি ছাড়াই সবশেষ বিপিএল খেলেছিল নোয়াখালী ও সিলেট। চট্টগ্রামের ফ্র্যাঞ্চাইজি বিসিবি নেওয়ায় বিসিবির ক্ষতি হয়েছে ১৪ থেকে ১৬ কোটি টাকা। তাই এখন থেকে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিকের দায়িত্ব নেবে না বিসিবি।

আর্কাইভ