• ঢাকা শনিবার
    ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

আমিষের চাহিদা পূরণে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্র চালু

প্রকাশিত: মে ৩, ২০২১, ১১:০৭ এএম

আমিষের চাহিদা পূরণে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্র চালু

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংকটে দেশের জনসাধারণের প্রাণিজ আমিষ নিশ্চিতকরণে ৭২০টি ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্র চালু করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন দফতরের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দফতর ও কর্মস্থলে সার্বক্ষণিক উপস্থিত থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

সোমবার (৩ মে) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়- করোনা পরিস্থিতিতেও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ও মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মৎস্য অধিদফতর ও প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের উদ্যোগে হাঁস-মুরগি (লাইভ), গবাদি পশু, মাছের পোনা, মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, প্রাণিজাত পণ্য, মৎস্য ও পশু খাদ্যসহ এ ধরনের খাদ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত উপকরণ, কৃত্রিম প্রজনন এবং পশু চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ-সরঞ্জামাদি অবাধ উৎপাদন, পরিবহন ও সরবরাহ এবং বিপণন অব্যাহত রাখা হয়েছে। রোববার (২ মে) দেশের ৬৪টি জেলায় ৭২০টি ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্র পরিচালনা করে ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৬৮ লিটার দুধ, ৮ লাখ ৪৮ হাজার ৮০১টি ডিম, ৫ হাজার ৯৩৪ কেজি গরুর মাংস, ১ হাজার ১৪০ কেজি খাসির মাংস, ৭৫ হাজার ৭২৬ কেজি মুরগি এবং ১৬১ মেট্রিক টন মাছ এবং অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্য বিক্রয় করা হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ৫ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

করোনা পরিস্থিতিতে সারা দেশে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদন, পরিবহন, সরবরাহ ও বিপণন সংক্রান্ত কার্যক্রম নিয়মিত তদারকি ও বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ। এ ছাড়াও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বিভিন্ন জেলায় সার্বক্ষণিক মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম মনিটরিং করছেন।

তরিকুল/নূর/এম. জামান

আর্কাইভ