প্রকাশিত: জানুয়ারি ৫, ২০২৬, ০৬:১৯ পিএম
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে চালু হবে না বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন আহমেদ।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান চলাচল সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৬ এবং বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৬ জারি উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
শেখ বশিরউদ্দীন আহমেদ বলেন, অধ্যাদেশ দুটি বাস্তবায়িত হলে বিমানের টিকিট কাটাকে কেন্দ্র করে যে প্রতারণা, হয়রানি হয়ে থাকে সেটি বন্ধ হবে। এসব প্রতারণা বন্ধে অধ্যাদেশে কঠোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, বিমান টিকিটের ক্ষেত্রে অসাধু এজেন্সির মাধ্যমে যে সিন্ডিকেশন তৈরি হয়েছিল, নতুন এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে সেটি বন্ধ হবে এবং যাত্রীদের হয়রানি বন্ধ হবে।
এ সরকারের আমলে থার্ড টার্মিনাল চালু হবে কি না জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, না, এ সরকারের সময় চালু করতে পারব না।
তিনি বলেন, থার্ড টার্মিনাল চালুর জন্য আমাদের প্রাণান্ত চেষ্টা ছিল। আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে জাপানিজ ভাইস মিনিস্টারের সঙ্গে মিটিং করেছি। আমরা দর কষাকষি করেছি। আমরা চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমাদের প্রচেষ্টা সম্ভবত সফল হয়নি।
উপদেষ্টা বলেন, এটার যে পদ্ধতিগত প্রয়োজনগুলো রয়েছে পরবর্তী কর্মকাণ্ডের জন্য, সেই পদ্ধতিগত প্রয়োজনগুলো আমরা সচল করার জন্য বর্তমানে নিয়োজিত আছি। পরবর্তী সরকার এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
বিমানের ডাইভারশন নিয়ে উপদেষ্টা বলেন, তীব্র কুয়াশায় বিমানের ফ্লাইট পাশের দেশে ডাইভারশন এড়াতে কক্সবাজার বিমানবন্দরকে ক্যাটাগরি থ্রিতে উন্নীত করা হবে।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সচিব নাসরীন জাহান বলেন, বেসামরিক বিমান চলাচল সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৬ এবং বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৬ বাস্তবায়িত হলে বিমান পরিবহন ও ট্রাভেল ব্যবসায় শৃঙ্খলা, আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠিত হবে। বিমানের টিকিটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হবে। অভিবাসী কর্মী ও সাধারণ যাত্রীদের অধিকার সংরক্ষণের পাশাপাশি পর্যটন খাতে সুশাসন ও আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত হবে।