• ঢাকা মঙ্গলবার
    ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২

এনইআইআর কেন অবৈধ হবে না জানতে চেয়ে হাইকোর্টের রুল

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২০, ২০২৬, ০৭:৪৫ পিএম

এনইআইআর কেন অবৈধ হবে না জানতে চেয়ে হাইকোর্টের রুল

সিটি নিউজ ডেস্ক

বাধ্যতামূলকভাবে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টি রেজিস্ট্রার বা এনইআইআর চালু কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, সেটি জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিচারপতি রাজিক আল জলিল এবং বিচারপতি আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এক রিটের শুনানিতে এই আদেশ দেন। মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশের (এমবিসিবি) সিনিয়র সহ-সভাপতি শামীম মোল্লা ঐ রিট দায়ের করেন।  

রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার ইমরান সিদ্দিক এবং রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন এটর্নি জেনারেল (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আরশাদুর রউফ এবং অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল অনিক আর হক।

শুনানি শেষে আদালতের রুল সম্পর্কে ব্যারিস্টার ইমরান সিদ্দিক যুগান্তরকে বলেন, ‘এনইআইআর ব্যবস্থাটা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, সেটি জানতে রুল জারি করেছেন বিজ্ঞ আদালত। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এবং মন্ত্রণালয়কে (ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ) এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ে দেওয়া ব্যবসায়ীদের একটি আবেদন নিষ্পত্তি করতেও আদেশ দিয়েছে আদালত।’

এ বিষয়ে রিট দায়েরকারী শামীম মোল্লা যুগান্তরকে বলেন, ‘বিগত আড়াই মাস ধরে সরকারের বিভিন্ন মহলে আমাদের দাবিদাওয়াগুলো উপস্থাপনের চেষ্টা করছি।  অনেক কাঠখড় পোড়ানোর পর গত ডিসেম্বরে কয়েক দফা আমাদের সাথে তারা বৈঠক করেছে।  কিন্তু বৈঠকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তিনি সেটি ভঙ্গ করেছেন। এরপর রুজি রুটির দাবিতে রাস্তায় নামলে আমাদের মা-বোন এবং শিশুদের ওপর পুলিশ দিয়ে হামলা করা হয়। আমাদের ৫৫ জন ব্যবসায়ী-কর্মচারী ভাইদেরকে মিথ্যা মামলা জেলে নেওয়া হয়েছে। তাই শেষ আশ্রয় হিসেবে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি। বাংলাদেশের আইন ও বিচার ব্যবস্থার ওপর আমাদের আস্থা রয়েছে। ’

শামীম মোল্লা আরও বলেন,  ‘সত্যের পথে এই রুলিং আমাদের জন্য প্রাথমিক বিজয়।  শেষ পর্যন্ত এই লড়াইয়ে আমাদের বিজয় হবেই ইনশাল্লাহ।  আইনের ওপর আস্থা রেখে আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে আমরা দোকান খুলবো। ’

প্রসঙ্গত, তিন মাস মোবাইল হ্যান্ডসেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে এবং ব্যবসায় কোন বাঁধা না থাকার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগে গত ১ জানুয়ারি থেকে দোকান বন্ধ রেখে মুঠোফোন বিক্রি স্থগিত রেখেছে মোবাইল ব্যবসায়ীরা।

আর্কাইভ