• ঢাকা রবিবার
    ২৭ নভেম্বর, ২০২২, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

আলেশা মার্টের মঞ্জুর আলমকে শেল্টারদাতারা গোয়েন্দা নজরে

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৮, ২০২২, ০৫:৫২ পিএম

আলেশা মার্টের মঞ্জুর আলমকে শেল্টারদাতারা গোয়েন্দা নজরে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিতর্কিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলেশা মার্ট প্রধান মঞ্জুর আলম শিকদারকে যারা এতদিন ধরে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন এমন একটি মহলের সন্ধান পেয়েছেন গোয়েন্দারা। তারা দিনের পর দিন মঞ্জুর আলমের হীন কর্মে সহায়তা করে যাচ্ছেন। তাই গ্রাহকের টাকা দিতে টালবাহানা করছেন আলেশা মার্ট প্রধান।

গোয়েন্দা সূত্র আরও জানিয়েছে, এই শেল্টারদাতারা প্রত্যেকেই স্ব স্ব ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ব্যক্তি। তারা নিজেদের দায়িত্বের প্রতি অবহেলা করে মঞ্জুর আলমকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন।

জানা যায়, ই-কমার্স ব্যবসার নামে হাজার হাজার গ্রাহকের সঙ্গে প্রতারণা করে শত শত কোটি টাকা মেরে দিয়েছেন আলেশা মার্ট প্রধান মঞ্জুর আলম শিকদার। তুলনামূলক কম প্রতারণায় যখন অন্য ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো শাস্তির আওতায় এসেছে বা আসছে তখন আলেশা মার্ট কর্তৃপক্ষ রয়েছে বহাল তবিয়তে।

অথচ, গ্রাহকদের করা প্রতারণা মামলায় আলেশা মার্ট প্রধানের নামে রয়েছে শতাধিক গ্রেফতারি পরোয়ানা। এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ। তবুও তাকে করা হচ্ছে না গ্রেফতার, আলেশা মার্টে বসানো হচ্ছে না পরিচালনা পর্ষদ। কিন্তু এই দাবিগুলো প্রতারিত গ্রাহকদের দীর্ঘদিনের।

এসব বিষয়কে মাথায় নিয়ে আলেশা মার্ট বিষয়ে তৎপর হয় একাধিক সরকারি সংস্থা। শুরু হয় নজরদারি, সাহায্য নেয়া হয় তথ্য-প্রযুক্তির। আলেশা মার্ট প্রধান কখন কোথায় যাচ্ছেন, কার সঙ্গে কথা বলেছেন; তার ফোন কল-অনলাইন কল সব কিছুই আসে নজরদারির আওতায়। এমনকি বাদ যায়নি তার কাছের লোকজনের গতিবিধিও। এর ফলে শেল্টারদাতাদের চিহ্নিত করতে সক্ষম হন গোয়েন্দারা।

গোয়েন্দা সংস্থার একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলেন, "আমাদের প্রথম থেকেই সন্দেহ হচ্ছিল। যেখানে ইভ্যালি, ধামাকা, ইঅরেঞ্জ ও কিউকমের মতো প্রতিষ্ঠানকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে সেখানে আলেশা মার্টের ক্ষেত্রে এত ছাড় কেনো? অনুসন্ধানে আমাদের সন্দেহ অনেকটা সত্যি প্রমাণিত হতে চলেছে। মনে হচ্ছে এখানে ‍‍`শর্ষের ভিতর ভুত‍‍` আছে।"

তিনি বলেন, ‍‍`এখানে কতিপয় কর্মকর্তা আছেন, যারা কিনা সাধারণ গ্রাহকদের টাকা ফেরতের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার কথা। কিন্তু তারা সেটা না করে মঞ্জুর আলমকে শেল্টার দিচ্ছেন! এমন বেশ কয়েকজনকে আমরা শনাক্ত করেছি। উপযুক্ত সময়ে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।‍‍`

 

এসএএস

আর্কাইভ