প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০৭:২৩ পিএম
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপা সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেছেন, ‘আপনাদের জেলার নামটাই বেশ সুন্দর। গাই-গরুগুলো বেঁধে রাখার জন্য গাইবান্ধা। গাই-গরু বাঁধার সেই দড়িগুলো তৈরি আছে তো? গাই-গরুর জায়গায় এবার চাঁদাবাজদের বাঁধতে হবে। দুর্নীতিবাজদের বেঁধে রাখতে হবে, চাঁদাবাজদের বেঁধে রাখতে হবে, সন্ত্রাসীদের বেঁধে রাখতে হবে।’
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার এস এম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দশ দলীয় ঐক্য জোট আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ প্রধান বলেন, ‘যারা গণভোটে “না” ভোটের পক্ষে কথা বলছে, তাদের লাল কার্ড দেখিয়ে “হ্যাঁ” ভোটকে জয়যুক্ত করতে হবে। আগামীর প্রধানমন্ত্রী ডা. শফিকুর রহমানকে গাইবান্ধার পাঁচটি আসন থেকেই দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জয়ী করে উপহার দিতে হবে। আমাদের কথা পরিষ্কার।’
তিনি আরও বলেন, ‘লন্ডন থেকে এক নতুন মুফতি এসেছে। উনি নির্ধারণ করছেন কে মুসলমান আর কে বিধর্মী। এসব চলবে না। আগামীর বাংলাদেশ ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে ১০ দলীয় ঐক্য জোটের বাংলাদেশ।’
জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিগবাতুল্লাহ সিবগা, এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম জুয়েলসহ দশ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা।
গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা নজরুল ইসলাম লেবুর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের সাবেক আমীর ও গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. আব্দুর রহিম সরকার, জেলা জামায়াতের আমীর ও গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আব্দুল করিম, নায়েবে আমীর ও গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক মাজেদুর রহমান, নায়েবে আমীর ও গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেস, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জহুরুল হক সরকার, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল, গাইবান্ধা জেলা শিবিরের সভাপতি ফেরদৌস সরকার রুম্মান এবং এলডিপির জেলা সভাপতি শরিফুল ইসলাম প্রমুখ।