• ঢাকা বুধবার
    ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ১৮ মাঘ ১৪২৯

মুসলমান হিসেবে আমরা আদমের সন্তান, বানর থেকে মানুষ হওয়ার সুযোগ নেই: জাপা এমপি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৪, ২০২৩, ০৭:০১ পিএম

মুসলমান হিসেবে আমরা আদমের সন্তান, বানর থেকে মানুষ হওয়ার সুযোগ নেই: জাপা এমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশের পাঠ্যপুস্তকে ডারউইনের বিবর্তনবাদ অন্তর্ভুক্ত করার কঠোর সমালোচনা করেছেন জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপু। তিনি বলেন, বানর থেকে মানুষ হয় এটা ধর্ম বিরোধী প্রচার। মুসলমান হিসাবে আমরা আদমের সন্তান। এখানে বানর থেকে মানুষ হওয়ার সুযোগ নেই। এটা ইসলামের প্রতি আঘাত। এ বিষয়ে ব্লাসফেমি আইন করা উচিত। গতকাল সোমবার ২৩ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ভাষণের উপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবে আলোচনায় এসব কথা বলেন টিপু।

এ সময় শিক্ষার মান উন্নত করার দাবি জানিয়ে গোলাম কিবরিয়া টিপু বলেন, আমরা দেখলাম ডারউইন থিউরি। বানর থেকে মানুষ হয়। এটা আমাদের ধর্মবিরোধী প্রচার। আমরা মুসলমান। বিশ্বাস করি আমরা আদমের সন্তান। এখানে বানর থেকে মানুষ হওয়ার কোন সুযোগ নেই। এরা ইসলামের প্রতি আঘাত করেছে। এই দেশে ব্লাসফেমি আইন করা উচিত। জার্মানিতে ব্লাসফেমি আইন আছে। প্রয়োজন হলে তাদেরটা এনে দেখে কিছু কাটছাঁট করে আমাদের দেশে চালু করতে হবে। আর যারা ধর্মবিরোধী কর্মকাণ্ড করে তাদের ওই আইনে বিচার করতে হবে। না হয় দেশে অরাজকতা সৃষ্টি হবে।

তিনি আরও বলেন, কোন ধর্মপ্রাণ মুসলমান এটা মেনে নেয় না। আপনাদের কাছ পর্যন্ত এ আওয়াজ আসে কিনা জানি না। আমরা বাইরে চলি মানুষের কথা শুনি। বানর থেকে মানুষ হওয়া নিয়ে মানুষ কি বলে.. মানুষ আগ্নেয়গিরির মতো অবস্থায় আছে। প্রত্যেকটা মুসলমানের ধর্মেতে আঘাত করেছে। পাঠ্যপুস্তকে কারা এসব বিতর্কিত বিষয় দিয়েছে তা বের করতে একটি কমিশন গঠনের দাবিও জানান তিনি।

এ সময় জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য বলেন, এই সরকারকে বিতর্কিত অবস্থায় ফেলার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে এটা করেছে। সরকার ব্যাপক উন্নয়ন করেছে। কোন শত্রুও এটা অস্বীকার করতে পারবে না। এত উন্নয়ন হয়েছে। এই পরিমাণ উন্নয়ন আগে হয় নাই। বড় কাজ করলে সমালোচনা থাকবেই। যে কাজ করে না তার সমালোচনা নাই।

এদিকে ডলারের সংকটের জন্য ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও লিজিং কোম্পানিগুলো দায়ী বলে দাবি করেন টিপু। তিনি বলেন, এরা রক্ষক হয়ে মানুষের আমানত ভক্ষণ করেছেন। যোগসাজশে বিভিন্ন জায়গায় লস প্রকল্প তৈরি করেছেন আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে ডলার সংকট কেটে যাবেও বলে মনে করেন তিনি।

আর্কাইভ