প্রকাশিত: জানুয়ারি ২০, ২০২৬, ০৩:০৭ পিএম
ঢাকার কোনো বাসায় একবার ভাড়া নির্ধারণের দুই বছরের মধ্যে ভাড়া আর না বাড়ানোর নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) গুলশানে নগর ভবনে ঢাকার বাড়িভাড়া সংক্রান্ত নির্দেশিকা প্রকাশবিষয়ক সংবাদ সম্মেলনে এ নির্দেশনা দেন ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ।
তিনি বলেন, দেশে একটা কমন প্র্যাকটিস যে জানুয়ারি মাস এলেই ভাড়া বাড়ানো হয়। যারা জানুয়ারিতে ভাড়া বাড়ানোর কথা ভাবছেন তাদের উদ্দেশে বলছি, ভাড়া বাড়ানোর সময় হলো অর্থবছর শুরুটা– জুন-জুলাই।
এই বাড়িভাড়ার ওপর ভিত্তি করে আপনারা সিটি করপোরেশনকে ট্যাক্স দেন। তাই যে হারে ট্যাক্স দেন সেই হারে বাসাভাড়া বাড়াবেন।
ভাড়াটিয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে ‘বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১’ তুলে ধরে নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নির্দেশনা দিয়ে বলেন, সম্প্রতি ভবনে অগ্নিকাণ্ড, ভূমিকম্পসহ ইত্যাদি নানা ধরনের মনুষ্য সৃষ্ট ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে দুর্ঘটনা বেড়ে যাচ্ছে; যার ফলে অসংখ্য মানুষের প্রাণহানিসহ সম্পদ বিনষ্ট হচ্ছে। এমতাবস্থায়, নিরাপত্তার স্বার্থে বাড়িওয়ালা তার প্রত্যেক ভাড়াটিয়াকে ছাদের ও মূল গেটের চাবি শর্তসাপেক্ষে প্রদান করবেন।
আর বাড়ির মালিক অবশ্যই তার বাড়িটি বসবাসের উপযোগী করে রাখবেন।
বাড়িভাড়া সম্পর্কিত নির্দেশনা তুলে ধরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন জানায়, বাড়িতে ইউটিলিটি সার্ভিসের (গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি) নিরবচ্ছিন্ন কানেকশন, দৈনিক গৃহস্থালি বর্জ্য সংগ্রহসহ অন্যান্য সব সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। এর কোনো ব্যত্যয় বা কোনো সমস্যার সম্মুখীন হলে ভাড়াটিয়া সংশ্লিষ্ট বাড়িওয়ালাকে জানাবেন এবং বাড়িওয়ালা দ্রুত সেই সমস্যার সমাধান করবেন।
ভাড়াটিয়ার সুবিধা নিশ্চিতে বাড়ির মালিকের দায়িত্বের পাশাপাশি ভাড়াটিয়ারও দায়িত্ব তুলে ধরা হয়।
প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে বাড়িওয়ালাকে ভাড়া প্রদান করতে হবে। ভাড়া নেওয়ার পর অবশ্যই প্রমাণ কপি হিসেবে ভাড়াটিয়াকে প্রতি মাসে মাসিক ভাড়ার লিখিত রসিদ প্রদান করতে হবে এবং ভাড়াটিয়া প্রতি মাসের ভাড়া দেওয়ার সময় বাড়িওয়ালার কাছ থেকে ভাড়া প্রাপ্তির স্বাক্ষরযুক্ত লিখিত রসিদ সংগ্রহ করবেন।