প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬, ০৯:১২ পিএম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলীয়ভাবে এই ইশতেহারের নাম দেয়া হয়েছে ‘জনতার ইশতেহার’।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর এক হোটেলে এ ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
২৬ বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে ঘোষিত ইশতেহারে মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই বিপ্লব নিয়ে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
জামায়াতের ইশতেহারে বলা হয়েছে—
এক. মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও লক্ষ্য (সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার) রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় জীবনে সুপ্রতিষ্ঠার কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হবে।
দুই. শিক্ষার্থীদের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা হবে।
তিন. আধুনিক ও টেকসই ডিজিটাল প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার চর্চা চালু করা হবে।
চার. জুলাই বিপ্লবের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতিষ্ঠিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদফতরে আধুনিক ও টেকসই ডিজিটাল প্রযুক্তি প্রয়োগ করে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলকভাবে পরিচালনা নিশ্চিত করা হবে।
পাঁচ. জুলাই বিপ্লবে শহীদ এবং জুলাই যোদ্ধাদের জন্য প্রতি মাসে অনুদান ও ভাতা প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে।
ছয়. জুলাই বিপ্লবে শহীদের পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের জন্য আবাসন নির্মাণ এবং কর্মযোদ্ধা হিসেবে তাদের পুনর্বাসন করা হবে। আহত ও পঙ্গু জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসার খরচ সরকারি কোষাগার থেকে নির্বাহ করা হবে।
এছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনায় যুবকদের প্রাধান্য, নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত, প্রযুক্তি নির্ভর সমাজ গঠন জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপসহ ২৬টি বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জামায়াতের নির্বাচনী ইশতেহারে। ৪১টি ভিশনও ইশতেহারে সামগ্রিকভাবে তুলে ধরেছে জামায়াত।
জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্যে বলেন, আমরা রাজনীতিতে বলি, ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়। কিন্তু ৫৪ বছরে সেই স্লোগানের স্বাক্ষর দিতে পেরেছি? তবে আমাদের ইশতেহারে আমরা জনগণের আকাঙ্ক্ষা, পরামর্শ চেয়েছি।