• ঢাকা মঙ্গলবার
    ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২

সিডনি শহরের সব রাস্তা অলিগলি পৃথুলের চেনা

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ১০:৩২ এএম

সিডনি শহরের সব রাস্তা অলিগলি পৃথুলের চেনা

মু আ কুদ্দুস

আজ এলাম নতুন একটা জায়গায়।সিটি কোগাড়া। সিডনি শহরকে ঘিরে আছে কোগাড়া নদী। নদীর উপর দিয়ে প্রায় দু‍‍`শ গজ কাঠের সেতু। সেখানে অনেকেই ছিপ ফেলে মাছ ধরছে।কনকনে ঠান্ডা হাওয়া বইছে। দুপুরে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিলো।এ কারণেই এতো ঠান্ডা।এমন আবহাওয়ার সঙ্গে আমার পরিচয় ছিলো না আগে।তাই বেশিক্ষণ থাকতে পারিনি বৈরী আবহাওয়ার কারণে।

সিডনির কোগাড়া নদীর ধারে লেখক 
লেখক 

আজো আমার সফর সঙ্গী জামাই পৃথুল তাসমিন। সুন্দর গাড়ি চালাতে পারে। সিডনি শহরের সব রাস্তা, অলিগলি তার চেনা। রাস্তা ছ‍‍`লেন কোনোটা আবার আট কিংবা চার। রাস্তা উঁচু নিচু। এখানে পাহাড় নাকি অন্য কারণে এভাবে সড়ক সেটা কেউ বলতে পারেনি। তবে, রাস্তা এবং শহরের শোভাবর্ধন করেছে এটা সহজে অনুমেয়। 

নির্ঝঞ্ঝাট পথে জট মুক্ত চলাচল আমাকে মুগ্ধ করেছে।কোগাড়া যেতে ছাব্বিশ মিনিটের মতো সময় নিয়েছে, ত্রিশ কিলোমিটার পথ।কোগাড়া নদী সিডনি কে আলাদা উচ্চতায় নিয়ে গেছে। নদীর উপর অসংখ্য ছোট-বড় বোট। অনেকেরই নিজস্ব।এসব বোটে ইচ্ছে করলে যে কেউ ঘুরতে পারে। নদীর ওপারে সুনীল আকাশ।ধীরে ধীরে জ্বলে উঠছে আবাসিক ও -সড়ক বাতি।তখন সন্ধ্যা সাড়ে আটটা।গোটা এলাকা জুড়ে স্বর্গীয় পরিবেশ।আমি আগেও বলেছি, এখানে রাত সাড়ে ন‍‍`টা অব্দি আকাশ দিনের মতো দেখা যায়। কিন্তু ঠান্ডা আর সঙ্গে নানু ভাই আয়জান তাজওয়ারের জন্য ফিরতে হলো তাড়াতাড়ি।
আবার সেই উঁচু নিচু পথ ধরে আসছি। হটাৎ মাঝ পথে বিরতি। এখানে সংসারের টুকিটাকি কেনাকাটা করতে হবে। এখানে এসে চোখে পড়লো, কাওরান বাজার, রহমানিয়া হোটেল , কাবাব ঘর,বঙ্গবাজার এমন অনেক বাংলাদেশী স্টোর।সবাই বাঙালি। কিছু কিছু দোকানের মালিক পাকিস্তানী। উর্দু -বাংলা, ইংরেজি সব ভাষাতেই কথা বলতে পারেন।রাত বেড়ে যাওয়ায় দ্রুত বাসার দিকে রওনা হলাম।
মনে মনে ভাবছিলাম, এতো বড় শহর কীভাবে কতো দিনে সাজিয়েছে।যেটা স্থানীয় লোকজন নিজের মতো করে লালন করে।এতো সুশৃঙ্খল জীবন।নিয়ম এবং ভালো থাকার চর্চা সত্যি অনেক কিছু শেখায় -যেটা দেখে আমি বিস্মিত।
এ সময় অষ্ট্রেলিয়া সময় সন্ধ্যা নটা‍‍`চল্লিশ।

আর্কাইভ