• ঢাকা রবিবার
    ২৭ নভেম্বর, ২০২২, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

র‌্যাবের হাতে পালাতক সিপাহী আটক

প্রকাশিত: নভেম্বর ২০, ২০২২, ০৮:৫৬ পিএম

র‌্যাবের হাতে পালাতক সিপাহী আটক

জয়পুরহাট প্রতিনিধি

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সিপাহী নেপাল দাসকে জয়পুরহাটে গুলি করে হত্যা করার পর পালিয়ে যাওয়া সিপাহী হযরত জাকারিয়াকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) -৫ ও ১৩ এর সদস্যরা।

গ্রেফতারের পর ওই  সিপাহীকে ২০ বিজিবির প্রধান কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। 

রবিবার (২০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় র‌্যাব-৫ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল রিয়াজ শাহরিয়ার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ ব্যাপারে র‌্যাব-৫ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিয়াজ শাহরিয়ার বলেন, দেশের বাইরে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ২০ বিজিবি সিপাহী হযরত জাকারিয়া। শনিবার রাতে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলস্টেশন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরপর বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিজিবি আইনে যা আছে তার ওপর ট্রায়াল হবে।

এ ঘটনায় জয়পুরহাট থানায় অপমৃত্যুর একটি মামলা হয়েছে। নেপাল দাসের শেষ কৃত্য নিজ গ্রামের বাড়িতে করা হয়েছে। তার মৃত্যু নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে। এ ঘটনায় সিপাহী হযরত জাকারিয়া পলাতক ছিলেন। হযরত জাকারিয়া লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা উপজেলার বাসিন্দা বলে গোপন সূত্রে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে নেপাল দাসকে (৩১) জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে বিজিবির পোশাক পরা ও বুকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় জরুরি বিভাগে নেয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে ওই হাসপাতালে তার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। ময়নাতদন্তের পর শুক্রবার দুপুরে বিজিবি-২০ জয়পুরহাট ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিকুল ইসলাম মরদেহটি নেপালের বড় ভাই গোপাল দাসের কাছে হস্তান্তর করেন।

নেপাল দাসের বাড়ি ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার মেঘচামী ইউনিয়নের কলাগাছি দাসপাড়া গ্রামে। নেপাল ওই গ্রামের নারায়ণ দাসের ও কানন বালা দাস দম্পতির ছেলে। এক বোন ও তিন ভাইয়ের মধ্যে নেপাল ছিলেন মেজ। বোন হাসি রাণী দাস বিবাহিত। বড় ভাই গোপাল দাস ব্র্যাক ব্যাংকে ও ছোট ভাই বাদল দাস সেনাবাহিনীতে কর্মরত। তার স্ত্রী অঞ্জনা দাস ও চার বছরের অর্ণব দাস নামের ছেলে রয়েছে।

 

এসএই/এএল

 

আর্কাইভ