প্রকাশিত: নভেম্বর ২৯, ২০২৫, ০৯:৩৪ পিএম
দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বাংলাদেশের সবচেয়ে নির্যাতিত মানুষের নাম বলতে হলে, দেশের তিন বারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারর্পাসন বেগম খালেদা জিয়ার নামই প্রথমে আসে। তিনি চাইলে বহু আগেই বিদেশে গিয়ে উন্নত চিকিৎসা নিতে পারতেন, স্বস্তির জীবনযাপন করতে পারতেন। কিন্তু দেশ, দল ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে তিনি সেই সুযোগ গ্রহণ করেননি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নে খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা ও বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় কান্নাজড়িত কণ্ঠে রুমিন ফারহানা বলেন, বেগম খালেদা জিয়া দলের কথা, দেশের কথা, দেশের মানুষের কথা চিন্তা করেই এই বয়সে, এই শারীরিক অবস্থায় কারাগারে গেছেন। তিনি কখনোই আপনাদের ছেড়ে কোথাও যাননি, কোনোদিন যেতেও চাননি। আমরা দেখেছি সামান্য সুযোগ পেলেই শেখ হাসিনা নেতাকর্মীদের ফেলে রেখে দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়া কখনোই আমাদের ফেলে কোথাও যাননি।
বেগম জিয়ার মানবিকতা ও দেশপ্রেমের কথা উল্লেখ করে বলেন, তিনি সবসময় বলেছেন এই দেশের বাইরে তার আর কিছু নেই। তিনি তার দুই সন্তানকে আল্লাহর হাতে রেখে দিয়েছেন এবং বলেছেন, এই দেশের মানুষই তার আত্মীয়, তার আপনজন।
নোয়াগাঁও কাটানিশার আব্দুল মালেক রোড মাঠে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন, নোয়াগাঁও ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. বজলু রহমান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আশুগঞ্জ উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক বাবুল, যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল বিপ্লবসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।