প্রকাশিত: আগস্ট ২৮, ২০২৬, ০৭:২৭ পিএম
নেপালে ভয়াবহ বন্যায় অন্তত ৫৪৭ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ৯৭৭ জনেরও বেশি মানুষ। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।
অন্যদিকে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে এনডিটিভি জানিয়েছে, গত বুধবারের (২৬ আগস্ট) এই বিপর্যয়ে তিব্বতে অন্তত পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। যার ফলে চীন-নেপাল সীমান্তের এই ট্র্যাজেডিতে মোট প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৫২ জনে। আর দুই দেশ মিলিয়ে প্রায় দেড় হাজারেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
নেপালে তৃতীয় দিনের মতো উদ্ধার অভিযান চলছে। দেশটির ১৪ হাজারেরও বেশি নিরাপত্তা কর্মী উদ্ধারকাজে অংশ নিচ্ছেন। তারা এ পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার ৭৪২ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে পেরেছেন।
২০১৫ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর এটিই নেপালের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ধরনের প্রাণঘাতী বিপর্যয়। মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, হিমবাহ ধসের কারণে বরফ ও ধ্বংসস্তূপের বিশাল প্রবাহ প্রাণঘাতি এক আকস্মিক বন্যায় রূপ নেয়।
তিব্বত অংশের একটি বাঁধ ভেঙে যাওয়ার পর শুক্রবার নেপাল পুলিশ নতুন করে সতর্কতা জারি করেছে। নিরাপত্তারক্ষী এবং উদ্ধার ও ত্রাণকর্মীদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে অবিলম্বে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশও দেয়া হয়েছে।
ধ্বংসস্তূপ জমে সৃষ্ট একটি হ্রদ থেকে পানি উপচে পড়তে শুরু করলে সাময়িকভাবে উদ্ধারকাজ স্থগিত করে চীন। তবে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম পরবর্তীতে জানায়, বিপদের আশঙ্কা কমে যাওয়ায় উদ্ধারকাজ পুনরায় শুরু হয়েছে। এই হ্রদটি আর নেপালের ভেঙে যাওয়া বাঁধটি একই কি না, কর্মকর্তারা এখনও তা নিশ্চিত করতে পারেননি।