• ঢাকা শুক্রবার
    ০৯ অক্টোবর, ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩

যুক্তরাষ্ট্রের মানবপাচার প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান ‘অপরিবর্তিত’

প্রকাশিত: অক্টোবর ৯, ২০২৬, ০২:৫৫ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের মানবপাচার প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান ‘অপরিবর্তিত’

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

যুক্তরাষ্ট্রের মানবপাচার বিষয়ক প্রতিবেদন ২০২৬-এ বাংলাদেশের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়ে গেছে। সার্বিক বিবেচনায় বাংলাদেশ আগের মতোই দ্বিতীয় স্তরে (টায়ার-২) অবস্থান করছে। ট্রাফিকিং ইন পারসনস বা টিআইপি নামের এই প্রতিবেদন আজ শুক্রবার (৯ অক্টোবর) প্রকাশিত হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মানবপাচার নির্মূলে নির্ধারিত ন্যূনতম মান পুরোপুরি পূরণ করতে না পারলেও সরকার উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জনের চেষ্টা করেছে। এ কারণে বাংলাদেশ আগের অবস্থান ধরে রেখেছে।

মানবপাচারবিরোধী আইন শক্তিশালী করতে ২০২৬ সালে নতুন অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হয়। এতে অভিবাসী চোরাচালান এবং জোরপূর্বক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে বাধ্য করাকে আইনি কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মানবপাচার নির্মূলে উল্লেখযোগ্য উদ্যোগের কথা স্বীকার করলেও ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা, অপরাধীদের দণ্ড এবং অভিবাসী শ্রমিকদের শোষণ বন্ধে বাংলাদেশের ঘাটতি রয়েছে বলে প্রতিবেদনে ওঠে এসেছে।

এতে বলা হয়েছে, মানবপাচারের তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া বাড়লেও দণ্ডিত অপরাধীর সংখ্যা কমেছে। বিশেষ ঝুঁকিতে রয়েছেন বিদেশগামী শ্রমিক, নারী, শিশুরা ও রোহিঙ্গা শরণার্থীরা।

বিদেশে কাজ করতে যাওয়া বাংলাদেশি শ্রমিকদের ক্ষেত্রে উচ্চনিয়োগ ফি, ঋণের বোঝা, ভুয়া চাকরির প্রস্তাব এবং দালালদের প্রতারণাকে মানবপাচারের বড় ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে শ্রমিকদের বেতন না দেওয়া, চুক্তির শর্ত ভঙ্গ এবং জোরপূর্বক শ্রমে বাধ্য করার ঘটনাও উল্লেখ করা হয়েছে।

জাতীয় সম্পর্কিত আরও

আর্কাইভ