প্রকাশিত: নভেম্বর ৬, ২০২৬, ১১:৫০ এএম
সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনে বল হাতে দাপট দেখিয়েছেন হাসান মাহমুদ। একাই তুলে নিয়েছেন পাঁচ উইকেট। তার বোলিংয়ে চাপে পড়লেও শেষদিকে লোয়ার অর্ডারের প্রতিরোধে তিনশর গণ্ডি পেরিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৯৫ ওভার শেষে ৮ উইকেটে ৩২২ রান নিয়ে মধ্যাহ্নবিরতিতে গেছে সফরকারীরা।
প্রথম দিনের ৪ উইকেটে ২৩৫ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আজ প্রথম সেশনে ২৫ ওভার ব্যাট করে আরও ৮৭ রান যোগ করেছে তারা, হারিয়েছে ৪ উইকেট। দিনের শুরু থেকেই ক্যারিবীয় ব্যাটিংয়ে আঘাত হানতে থাকেন বাংলাদেশের বোলাররা। তবে সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি দিয়েছেন হাসান মাহমুদ।
পরপর দুই বলে ১৩৩ রানে থাকা আমির জাঙ্গু ও রোস্টন চেজকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন হাসান। শেষ পর্যন্ত সেই সুযোগ কাজে লাগাতে না পারলেও পরে জশুয়া বিশপকে লিটন দাসের দুর্দান্ত স্টাম্পিংয়ের শিকার বানিয়ে পূর্ণ করেন পাঁচ উইকেট। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তার পঞ্চম ফাইফার, বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে যা সর্বোচ্চ। দেশের মাটিতেও লাল বলে প্রথম ফাইফার হাসানের।
অন্য প্রান্তে সাফল্য এনে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ৫১ রান করা জাস্টিন গ্রিভসকে বোল্ড করে সাজঘরে ফেরান এই অলরাউন্ডার। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের লোয়ার অর্ডারকে দ্রুত গুটিয়ে দিতে পারেনি বাংলাদেশ। শামার জোসেফ ও জোমেল ওয়ারিক্যান নবম উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ২১ রানের জুটি গড়ে দলকে তিনশ পার করে দেন। বিরতির ঠিক আগে মিরাজের ওভারে একটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকান জোসেফ। ১৬ রানে অপরাজিত তিনি, অন্য প্রান্তে ওয়ারিক্যানের সংগ্রহ ৯।
বাংলাদেশের হয়ে ৮০ রান খরচায় ৫ উইকেট নিয়েছেন হাসান। তাসকিন আহমেদ ৮৩ রানে পেয়েছেন ২ উইকেট, মিরাজের শিকার ১টি। তবে ফিল্ডিংয়ের সময় বাঁ পায়ের গোড়ালিতে চোট পেয়ে স্ট্রেচারে মাঠ ছাড়তে হয়েছে সাদমান ইসলামকে। তার চোট বাংলাদেশের জন্য বাড়তি দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে।