• ঢাকা বুধবার
    ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২

শপিং মলে পঁচিশ মিনিট

প্রকাশিত: মার্চ ১৮, ২০২৬, ০৬:৪১ পিএম

শপিং মলে পঁচিশ মিনিট

মু আ কুদ্দুস

সিডনির বিকেলের আকাশ আজ রোদে ঝলমল করছে। আকাশের নীল ছাদ যেমন স্বচ্ছ তেমনি সবুজ ঘাসে রোদের রঙ হয়েছে সাদা। চোখ দিয়ে পৃথিবী দেখতে বেশ কষ্ট হচ্ছে। আমার নানু ভাই আয়জান আর জামাই পৃথল আমাকে নিয়ে যাচ্ছে একটি শপিং মলে। ব্যাংকস টাউন সেন্ট্রাল, শপিং মল।পৃথল বলছে এটা নাকি অনেক ছোট। কিন্তু আমি ভিতরে ঢুকে দেখলাম বিশাল এলাকাজুড়ে শপিং মল। ভিতরে প্রতিটি পণ্য আলাদা আলাদা করে সাজানো রয়েছে।

শাক সবজি থেকে কসমেটিক্স, জুতো,ফলসহ সব। এখানে আপনার প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ঘুরে ঘুরে নিতে হয়। আপনাকে সহযোগিতা করার জন্য লোক আছে। আমরাও টুকিটাকি কিছু পণ্য নিলাম।বলে রাখি, আমি দর্শকের মতো দেখছি।যা নিতে হবে পৃথল নিচ্ছে। আমি আগে একবার বলেছি, এখানে শপিং মল গুলো সকাল ন টা থেকে বিকাল সাড়ে চারটায় পর্যন্ত খোলা থাকে। মলটি বন্ধ হয়ে যাবে কিছুক্ষণের মধ্যে।লোক সমাগম নেই।তাই আমরাও কিছু নিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য কাউন্টারে পেমেন্ট করতে গেলাম। সেখানে কেউ নেই। নিজের পণ্যোর দাম নিজেকেই কম্পিউটারে পেমেন্ট করতে হয়।পৃথুল তাই করছে। আমি তো হতবাক হয়ে গেলাম।কারন এমন অভ্যোস কখনো দেখিনি। বাংলাদেশেও নয়।এমন একটি দেশ তৈরি করতে কতো ত্যাগ স্বীকার করতে হয় - এখানে এসে দেখলাম। প্রতিটি মানুষ দেশ নিয়ে সচেতন। রাস্তায় ময়লা ফেলা তো দূরের কথা থু ফেলতে সাবধানতা অবলম্বন করে।
আমরা বেড়িয়ে এলাম। বাইরে তখন তেমন লোক সমাগম নেই। শুধু একটি নিয়ম কতো বিশ্বাসের হতে পারে সেটাই দেখলাম অষ্ট্রেলিয়ার মানুষের।এমন একটি দেশের স্বপ্ন দেখি চিরকাল। কবে হবে জানি না। তবুও আশা রাখি।এই ভাবে কেটে গেলো পঁচিশ মিনিট। আবারো অন্য একদিন কোথাও গেলে কথা হবে, আজ এখানেই শেষ। 

 

আর্কাইভ