প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ০৬:৪৬ পিএম
আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে যে সমস্ত এলাকায় ভোট নিয়ে আশঙ্কা আছে সে সব জায়গায় বিশেষ নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
সোমবার বিকেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাথে সাক্ষাৎ শেষে এ কথা জানান জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও দলের মুখপাত্র এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
রোববার রাতে নির্বাচন কমিশনের একটি পরিপত্র জারি করা হয়। যেখানে নির্বাচন কর্মকর্তা ও পুলিশ ছাড়া কাউকে ভোট কেন্দ্রের চারশো গজের ব্যাসার্ধের ভেতর প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার কথাও জানানো হয়।
এতে আগামী নির্বাচনে সাংবাদিকদের মোবাইলে ভোটের সংবাদ সংগ্রহের পথও বন্ধ হয়ে যায়। এ নিয়ে তীব্র সমালোচনায় পড়ে ইসি।
এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে রোববার বিকেলে ইসিতে আসে জামায়াত ও এনসিপির নেতারা।
ইসির সাথে বৈঠক শেষে জামায়াত নেতা মি. জুবায়ের বলেন, “আমরা মোবাইল নিয়ে ইসির চিঠির বিষয়ে আমাদের অবস্থান জানিয়েছি। তারা আমাদের বলেছে এটা প্রত্যাহার হয়ে যাবে। এই ধরনের চিঠি অস্থিরতা তৈরি হয়। ইসির গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে”।
এসময় ভোটের সময় প্রশাসনের পক্ষপাতিত্বমূলক আচরণের বিষয়েও ইসিতে অভিযোগের কথা জানায় জামায়াত ও এনসিপির নেতারা।
এনসিপির মুখপাত্র ও সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ এসময় প্রশাসনে রদবদলে একটি দলকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ জানান ইসির কাছে।
তিনি বলেন, “প্রশাসনের রদবদলের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার মধ্যে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখন একটা দলকে একটু বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। একটি নির্দিষ্ট দলের প্রার্থীকে শোকজ করা হলে সাথে সাথে ওই কর্মকর্তাকে সেখান থেকে বদলি করা হচ্ছে”।
কিছু জায়গায় নির্বাচনের কর্মকর্তারা অস্বাভাবিক আচরণ করছে বলেও ইসির কাছে অভিযোগ জানিয়েছে জামায়াত ও এনসিপি জোটের নেতারা।