প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ০২:৫১ পিএম
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপির দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা আছে। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বিএনপি রাষ্ট্র পুনর্গঠনের কাজে হাত দিতে চায়। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বনানীতে নির্বাচনী পথসভায় তিনি এমনটা জানান।
তারেক রহমান বলেন, নির্বাচন ঘিরে মানুষের অনেক প্রত্যাশা তৈরি হয়। বিএনপির কাছে সারা বাংলাদেশের মানুষের অনেক প্রত্যাশা আছে। আমরাও সেভাবেই পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চেষ্টা করেছি। পথসভায় ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ডের গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি।
তিনি বলেন, দেশের তরুণদের সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে দেশজুড়ে আধুনিক প্রশিক্ষণ সেন্টার গড়ে তোলা হবে। এর মাধ্যমে তারা যেন দেশে এবং বিদেশে সম্মানজনক কাজ করে স্বাবলম্বী হতে পারে এবং দেশের বেকারত্ব ঘুচাতে পারে।
বলেন, আমাদের দেশের মানুষ বিদেশে যাওয়ার আগে অর্থের তীব্র সংকটে পড়েন। অনেককেই ভিটেমাটি বা জমিজমা বিক্রি করে প্রবাসে পাড়ি জমাতে হয়, যা একটি পরিবারের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বিদেশগামীদের যেন জমিজমা বিক্রি করতে না হয়, সেজন্য সরকারিভাবে দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে। এই ঋণের মাধ্যমে তারা সহজেই বিদেশের যাওয়ার খরচ মেটাতে পারবেন এবং বিদেশে গিয়ে উপার্জিত অর্থ দিয়ে পরবর্তীতে তা পরিশোধ করতে পারবেন।
ধর্মগুরুদের নিয়ে তিনি বলেন, মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিব খতিব ও অন্যান্য ধর্মের যারা ধর্মগুরু আছেন বিএনপি ক্ষমতায় গেলে তাদের সম্মানীর ব্যবস্থা করা হবে। এতে তারা সমাজে সম্মানজনকভাবে বসবাস করতে পারবেন।
ঢাকা-১৭ তে যানজট, জলাবদ্ধতা, বায়ু দূষণের সমস্যা আছে। আমরা একত্রে কাজ করলে সবাই মিলে এই সমস্যার সমাধান করতে পারবো।
খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে তিনি বলেন, স্বৈরাচারের সময় দেশত্যাগের প্রস্তাব দেয়া হলেও খালেদা জিয়া দেশ ছেড়ে কোথাও যাননি। খালেদা জিয়া জীবনের শেষ পর্যন্ত এদেশের মাটিতে ছিলেন। মানুষ ছেড়ে যাননি। সেজন্য আমাদেরও শেষ ঠিকানা এই দেশ।
তিনি আরও বলেন, বিএনপিই একমাত্র দল এই মুহূর্তে, যাদের দেশ গঠনের কর্মসূচী আছে। প্রতিবারই বিএনপির ওপর জনগণের সমর্থন ছিলো। তারা দেশ ও মানুষ ছেড়ে কোথাও যায়নি।