প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ০৬:০৬ পিএম
শুক্রবার জুমার নামাজের সময় দক্ষিণ-পূর্ব ইসলামাবাদের তারলাই কালান এলাকার ‘খাদিজা তুল কুবরা’ মসজিদে শক্তিশালী বিস্ফোরণটি ঘটে।
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে শিয়া মসজিদে আত্মঘাতী হামলায় অন্তত ৩১ জন নিহত এবং শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। গত কয়েক বছরের মধ্যে এটিই ইসলামাবাদে হওয়া সবচেয়ে মারাত্মক হামলার ঘটনা।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজের সময় দক্ষিণ-পূর্ব ইসলামাবাদের তারলাই কালান এলাকার `খাদিজা তুল কুবরা` মসজিদে শক্তিশালী বিস্ফোরণটি ঘটে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, এটি একটি আত্মঘাতী হামলা বলে মনে হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, `আমাদের দল ঘটনাস্থলে আছে এবং আমরা কারণ নিশ্চিত করার প্রক্রিয়ায় রয়েছি।`
একটি নিরাপত্তা সূত্র এএফপিকে জানিয়েছে, মসজিদে প্রবেশপথে হামলাকারীকে থামানো হলে তিনি নিজের শরীরের সঙ্গে বাঁধা বোমার বিস্ফোরণ ঘটান।
ইসলামাবাদ প্রশাসন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর ১৬৯ জনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মসজিদের মেঝেতে রক্তাক্ত দেহগুলো পড়ে আছে এবং চারপাশে ভাঙা কাচ ও ধ্বংসাবশেষ। আল জাজিরা এই ফুটেজটির সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এক বিবৃতিতে এই ঘটনায় `গভীর শোক` প্রকাশ করেছেন।
গত বছর নভেম্বরে ইসলামাবাদ জেলা জুডিশিয়াল কমপ্লেক্সের প্রবেশপথে এক আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী নিজেকে উড়িয়ে দিয়েছিল। ওই হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত এবং ডজনখানেক মানুষ আহত হন।
এর আগে ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে ইসলামাবাদে ম্যারিয়ট হোটেলে একটি ডাম্প ট্রাকে আত্মঘাতী হামলা চালানো হয়েছিল। ওই ঘটনায় অন্তত ৬৩ জন নিহত এবং ২৫০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছিলেন।