প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬, ০৯:০৯ পিএম
রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এলে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা হবে বলে জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। নিজেদের নির্বাচনি ইশতেহারে এ কথা জানায় দলটি। ইশতেহারে বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখার কথা উল্লেখ করলেও প্রতিবেশী পাকিস্তানের বিষয়ে কিছু উল্লেখ করেনি দলটি।
আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটনে এক অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামী নিজেদের ইশতেহার ঘোষণা করে। ইশতেহারে ২৬টি বিষয়ে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা উল্লেখ করেছে। জামায়াতের পররাষ্ট্র নীতিতে যেসব বিষয় রয়েছে—
এক. বিশ্বে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশি পাসপোর্টের মর্যাদা বাড়ানো : বিশ্বে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশিদের মর্যাদা বাড়ানোর চেষ্টার পাশাপাশি বাংলাদেশি পাসপোর্টের মর্যাদা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
দুই. প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সুসম্পর্ক : ভারত, ভুটান, নেপাল, মায়ানমার, শ্রীলংকা, মালদ্বীপ ও থাইল্যান্ডসহ প্রতিবেশী এবং নিকট প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে শান্তি, বন্ধুত্ব ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলা হবে।
তিন. মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বাড়ানো হবে।
চার. উন্নত বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক : যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, কানাডাসহ উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক তৈরি করা হবে।
পাঁচ. পূর্ব ইউরোপ, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা : পূর্ব ইউরোপ, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক সম্প্রসারণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
ছয় . জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থায় সক্রিয় সম্পৃক্ততা : শান্তি, নিরাপত্তা, মানবাধিকার এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের মতো বৈশ্বিক বিষয়গুলো মোকাবিলায় জাতিসংঘ এবং এর সহযোগী সংস্থাগুলোতে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ আরও জোরদার করা হবে।
সাত. আঞ্চলিক সংস্থায় সক্রিয় অংশ গ্রহণ : সার্ক, আসিয়ানের মতো আঞ্চলিক সংস্থাগুলোতে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখা হবে।
আট . রোহিঙ্গাদের জন্য শান্তি ও নিরাপত্তা উদ্যোগ : রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ, টেকসই সমাধান ও তাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তায় নিশ্চিত করা হবে।
নয়. জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনী : জাতিসংঘ শান্তি রক্ষাবাহিনীতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখা হবে।
দশ. বৈধ ও স্বচ্ছ অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ সমর্থন ও সহযোগিতা করবে।