• ঢাকা বুধবার
    ২৯ মে, ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

মানবমস্তিষ্কে চিপ বসানোর দিকে আরও এক ধাপ এগোলো ইলন মাস্কের নিউরালিংক

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৩, ০৬:৩৯ পিএম

মানবমস্তিষ্কে চিপ বসানোর দিকে আরও এক ধাপ এগোলো ইলন মাস্কের নিউরালিংক

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ইলন মাস্কের ব্রেইন-চিপ স্টার্টআপ নিউরালিংক মানবমস্তিষ্কে পরীক্ষামূলক চিপ বসানোর দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেছে। পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগীদের মস্তিষ্কে পরীক্ষামূলক চিপ বসানোর জন্য নিয়োগ কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে একটি স্বাধীন পর্যালোচনা বোর্ডের কাছে অনুমোদন পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) নিউরালিংক এই পরীক্ষার জন্য নিয়োগ কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন পাওয়ার কথা জানিয়েছে।

সার্ভিক্যাল স্পাইনাল কর্ড ইনজুরি বা অ্যামিয়োট্রফিক ল্যাটারাল স্ক্লেরোসিসের কারণে পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগীরা এই গবেষণার জন্য যোগ্য হবেন বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে ঠিক কতজনের ওপর এই পরীক্ষা চালানো হবে, সে বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয়। এই পর‌ীক্ষা শেষ করতে প্রায় ছয় বছর সময় লাগবে।

নিউরালিংক বলেছে, গবেষণায় রোবট ব্যবহার করে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে একটি ব্রেইন-কম্পিউটার ইন্টারফেস (বিসিএল) মস্তিষ্কের যে অংশ মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নড়াচড়ার অভিপ্রায়কে নিয়ন্ত্রণ করে, সে অংশে বসানো হবে। এই গবেষণার প্রাথমিক লক্ষ্য হচ্ছে,পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগীদের চিন্তাশক্তির মাধ্যমে তাদের কম্পিউটার কার্সার বা কিবোর্ড নিয়ন্ত্রণে সক্ষম করে তোলা।

মস্তিষ্কে ডিভাইস বসানোর এই গবেষণার জন্য নিউরালিংক ১০ জন রোগীর অনুমোদন চেয়েছিল বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান এবং সাবেক কর্মচারীরা। তবে মার্কিন খাদ্য ও ঔষধ প্রশাসন (এফডিএ) নিরাপত্তা উদ্বেগ প্রকাশ করায় পরে তারা রোগীর সংখ্যা কমানোর প্রস্তাব দিয়েছিল।

সে ক্ষেত্রে এফডিএ চূড়ান্তভাবে কতজন রোগীর ওপর এই গবেষণা চালানোর অনুমোদন দিয়েছে, তা জানা যায়নি।

এই নিউরালিংক নিয়ে ইলন মাস্কের উচ্চাকাঙ্ক্ষা অনেক বেশি। তার মতে, স্থূলতা, অটিজম, বিষণ্নতা ও সিজোফ্রোনিয়ার মতো রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে দ্রুত অস্ত্রোপচারের এই চিপ ডিভাইসগুলো সহায়তা করবে।

এর আগে মে মাসে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, তারা মানুষের মস্তিষ্কে চিপ প্রতিস্থাপনের জন্য ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য এফডিএর অনুমোদন পেয়েছে। যদিও প্রতিষ্ঠানটি একই পরীক্ষা প্রাণীর ওপর পরিচালনার জন্য ফেডারেল তদন্তের মুখে ছিল।

এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি বিসিআই ডিভাইস মানুষের ওপর ব্যবহার নিরাপদ বলে প্রমাণিতও হয়, তা সত্ত্বেও এটির বাণিজ্যিক ব্যবহারের ছাড়পত্র পেতে সম্ভবত এক দশকেরও বেশি সময় প্রয়োজন হবে।

 

সিটি নিউজ ঢাকার ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন

 

জেকেএস/

আর্কাইভ