• ঢাকা শুক্রবার
    ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২

ফরিদপুরে ভেকু পুড়ালো বিক্ষুব্ধরা, বিএনপিকে জড়িয়ে প্রোপাগাণ্ডা ছড়ানোর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩০, ২০২৬, ০৯:৪৯ পিএম

ফরিদপুরে ভেকু পুড়ালো বিক্ষুব্ধরা, বিএনপিকে জড়িয়ে প্রোপাগাণ্ডা ছড়ানোর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরে মাটি খেকোদের কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ হয়ে মাটি কাটার একটি ভেকু আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী৷ তবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে  বিএনপির বিরুদ্ধে প্রোপাগাণ্ডা ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বিএনপির সমর্থকদের দাবি, অবৈধভাবে মাটি কাটার সাথে বিএনপির কেউ জড়িত না থাকলেও উদ্দেশ্যমূলকভাবে গুজব ছড়ানো হয়েছে। এছাড়া এ ঘটনার সাথে স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির ছেলে জড়িত নয় বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে ফরিদপুর জেলা সদরের চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের মমিনখার হাটে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান মির্জা সাইফুল ইসলাম আজম।

জানা যায়, জেলা সদরের চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের কাচারিরটেক এলাকায় দীর্ঘদিন যাবৎ রাতের আঁধারে ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে ভেকু বসিয়ে মাটি কেটে আসছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। যার প্রতিবাদে গত গত ২৬ জানুয়ারি রাতে মাটি কাটা অবস্থায় একটি ভেকুতে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। পরে একটি পক্ষ অভিযোগ করেন বিএনপি নেতা মির্জা সাইফুল ইসলামের আজমের বড় ছেলে মির্জা ফজলে রাব্বির বিরুদ্ধে। তাকেসহ ফরিদপুর-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী চৌধুরী নায়াব ইউসুফের নাম জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ানো হয়। 
এ ঘটনার পর ক্ষোভে ফুসে উঠেছেন স্থানীয় বিএনপি সমর্থকেরা। তাঁরা দাবি করেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিপক্ষের লোকজন বিএনপিকে জড়িয়ে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে মির্জা সাইফুল ইসলাম আজম বলেন- আমি দীর্ঘদিন যাবৎ বিএনপির রাজনীতি করে আসছি। সম্প্রতি আমার ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে মাটি ও বালু কেটে আসছে একটি চক্র। বিষয়টি আমি ডিসি-এসপিকেও অবগত করেছি এবং ব্যবস্থা নিতেও বলেছি। ওইদিন রাতে আমার বড় ছেলে মাটি কাটা বন্ধ করার জন্য ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। তখন আমার প্রতিপক্ষের লোকজন আমার ছেলেকে দেখে গুজব ছড়িয়ে দেয় যে আমার ছেলে ভেকু দিয়ে মাটি কাটার সাথে জড়িত। এছাড়া আমাদের নেত্রী চৌধুরী নায়াব ইউসুফের নির্বাচনী মাঠের ক্ষতি করার জন্য জামায়াত ও আওয়ামীলীগের লোকজন উদ্দেশ্যমূলকভাবে তাঁর নাম জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন- আমি যদি অপরাধী হয়ে থাকি তাহলে আমি প্রশাসনকে অবগত করতে যাব কেন। আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয়পন্ন করার উদ্দেশ্যই এই প্রোপাগাণ্ডা ছড়ানো হয়েছে। এ ঘটনার সাথে আমার ছেলে যদি বিন্দু পরিমাণ জড়িত থাকে প্রশাসন তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। তাই প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হোক।

এ সময় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

আর্কাইভ