• ঢাকা শুক্রবার
    ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২

নির্বাচনের পর সেফ এক্সিটের প্রশ্নই আসে না : প্রেস সচিব

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৩, ২০২৬, ০৮:৩৬ পিএম

নির্বাচনের পর সেফ এক্সিটের প্রশ্নই আসে না : প্রেস সচিব

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

অন্তর্বতীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম বলেছেন, নির্বাচনের পরে আমি দেশেই থাকবো। হাসিনার মতো আমি এমন কাজ করিনি যে আমাকে সেফ এক্সিট নিতে হবে। আমিএ দেশেরই সন্তান, আমি এ দেশেই থাকবো। তখন সাংবাদিকতা করবো নাকি চাকরি করবো তা পরে দেখো যাবে।

আল্লাহ যেখানে রিজিক রেখেছেন সেখানেই চাকরি করবো।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকালে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার গড়পাড়া ইমামবাড়ি মাজার পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

শফিকুল আলম বলেন, দেশে ৬০টির বেশি মাজারে হামলা হয়েছে। প্রতিটি ঘটনায় মামলা হয়েছে।

এসব ঘটনায় আইনশৃংঙ্খা বাহিনী ব্যবস্থাও নিয়েছে। বাউল শিল্পী আবুল সরকারের সমর্থকদের ওপর হামলার বিষটি দুঃখজনক। বাংলাদেশ একটি সম্প্রদায়িক-সম্প্রীতির দেশ। আমরা আশা করি সবাই সেটি বজায় রাখবেন।
আর আমাদের মধ্যে মতবিরোধ থাকবেই তবে আমাদের পারস্পরিক সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। তাহলে আগামীতে এই ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না।
তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের বাউল সমাজের ভোটাররাও ভোট দিতে কেন্দ্রে যাবেন। কোনো আশঙ্কা থাকতে নেই। যিনি পীরভক্ত, যিনি পীরভক্ত নয়, হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ খ্রিস্টান সব ধর্মে লোক এমন কি যিনি কোনো ধর্মই বিশ্বাস করেন না, তিনিও ভোট দিতে যাবেন।

সবাই মিলে আমরা ভোট দেব।  
গণমাধ্যম সংস্কার নিয়ে প্রেসসবিচ বলেন, তথ্য অধিকার আইনের (আরটিআই) কিছু আরো সহজ করা হয়েছে। সূচিপত্র কিভাবে হবে, কিভাবে রিপোর্ট করবেন, আপনি কিভাবে তথ্যের উপরে আপনার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করবেন। সেসব বিষয়ে একটা অধ্যাদেশ পাস করা হয়েছে। এই সরকার ১৮ মাস ধরে দেশের দায়িত্বে আছে, এই সময়ের মধ্যে সবকিছু তো সম্ভব না। যে বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ছিলো সেগুলো নিয়ে এই সরকার কাজ করছে। তবে সব বিষয়ের উপরই কাজ করার ইচ্ছা এই সরকারের ছিল, কিন্তু সময় স্বল্পতার জন্য সেটি করা সম্ভব হচ্ছে না।

গণভোটে হ্যাঁ ভোটের ব্যাপারে প্রেসসচিব শফিকুল আলম বলেন, ‘সব রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ৯ মাস জাতীয় সংস্কার কমিশনের আলোচনার করার পরই এই গণভোটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গণভোটে গুরুত্ব বুঝেছে বলেই তো এই আলোচনা, আর এর ফসলই হচ্ছে জুলাই সনদ এবং এটাকেই এখন হ্যাঁ ভোটের জন্য দেওয়া হয়েছে। সব রাজনৈতিক দলগুলো বলছেন, তারা হ্যাঁ ভোটের পক্ষে, কিন্তু নিজেদের প্রচারণা নিয়ে হয়তো একটু ব্যস্ত। দেশের সব শ্রেণির মানুষের কাছে আমরা বার্তা পৌঁছানোর চেষ্টা করছি। সবাই জানবেন যে কেন আমাদেরকে হ্যাঁ ভোট দিতে হবে। হ্যাঁ দিতে হবে এইজন্য যে দেশে যেন আর কোনে স্বৈরাচার ফিরে না আসে, অপশাসন যেন ফিরে না আসে, আপনার ব্যাংকের টাকা যেন কেউ লুটপাট করতে না পারে।

এ সময় গড়পাড়া ইমাম বাড়ির খাদেম ক্রীড়া সাংবাদিক আরিফুর রহমান বাবুসহ ইমাম বাড়ির ব্যক্তিবর্গ, আইনশঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

দেশজুড়ে সম্পর্কিত আরও

আর্কাইভ