প্রকাশিত: অক্টোবর ২৭, ২০২৬, ১১:৫৭ এএম
বাংলাদেশকে গত ১৭ বছরের অপরিকল্পিত ব্যবস্থার মাশুল দিতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) রিনিউয়েবল এনার্জি ফেস্টে এ কথা বলেন তিনি।
জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ‘বিকল্প এলএনজি আমদানির লক্ষ্যে আলজেরিয়াসহ বিভিন্ন দেশে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। সাত-আট মাসে এলএনজি কিনতে ব্যয় হয়েছে বিলিয়ন ডলারের বেশি।’
পল্লী বিদ্যুতের লাইনে ফল্ট ডিটেক্টর না থাকায় ত্রুটি সারাতে সময় লাগছে এবং লোডশেডিং বাড়ছে বলেও জানান ইকবাল হাসান মাহমুদ।
তিনি আরও জানান, সেচ কাজ সোলার এনার্জির আওতায় আনতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বিগত সরকারের অপরিকল্পিত কুইক রেন্টাল নীতির কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের পরিকল্পনা এলোমেলো হয়ে গেছে বলেও জানান মন্ত্রী।
জ্বালানি মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের কারণ বুঝতে হলে জানতে হবে অতীতের ঘটনাপ্রবাহ। আগামী অধিবেশনে বিশেষ জ্বালানি আইন চূড়ান্ত হবে।’
সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আগামী নভেম্বর থেকে শুরু হবে সোলার এক্সিবিশন।’
এদিকে, বাস্তব কারণেই লোডশেডিং হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচিত সরকারকে বোঝার কেউ নেই।’