প্রকাশিত: মার্চ ৬, ২০২৬, ০৬:৪৮ পিএম
তিনটি ইরানি জাহাজ ৯ ও ১৩ মার্চ শ্রীলঙ্কা সফরের অনুমতি চেয়ে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে আবেদন করেছে বলে জানিয়েছের শ্রীলঙ্কান প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে।
তিনি জানান, ইরানি সরকার ২৬ ফেব্রুয়ারি সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে এ সফরের জন্য শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে অনুমতি চেয়েছিল।
শ্রীলঙ্কান প্রেসিডেন্ট উল্লেখ করেন, জাহাজগুলো শ্রীলঙ্কার জলসীমার কাছে অবস্থান করছিল এবং মানবিক অনুরোধে জাহাজের দুজন কর্মকর্তাকে দেশে আনা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে অনুষ্ঠিত বিশেষ সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রেসিডেন্ট দিসানায়েকে বলেন, চলমান বা ভবিষ্যতের কোনো আন্তর্জাতিক সংঘাতে শ্রীলঙ্কার ভূখণ্ড, সমুদ্রসীমা কিংবা আকাশসীমা কোনোভাবেই ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।
অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, আইআরআইএস বুশেহর নামের একটি ইরানি জাহাজ কলম্বো বন্দরের কাছে এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন এলাকায় নোঙর করা রয়েছে। জাহাজটি শ্রীলঙ্কার জলসীমায় প্রবেশের অনুমতি চেয়েছে ও জাহাজের ক্রুদের উদ্ধার করে তীরে আনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শ্রীলঙ্কায় ইরানি দূতাবাস ও শ্রীলঙ্কা সরকারের মধ্যে আলোচনার পর ক্রুদের উদ্ধারের সিদ্ধান্ত নেন সংশ্লিষ্ট জাহাজের অধিনায়ক।
অনুরা কুমারা দিসানায়েকে বলেন, সেই অনুযায়ী আমাদের নৌবাহিনীর জাহাজগুলো ওই জাহাজের কাছে পৌঁছেছে এবং ক্রুদের উদ্ধারকাজে নিয়োজিত রয়েছে।
আমাদের কাছে যে তথ্য রয়েছে, তাতে ২০৮ জন ক্রুকে তীরে আনার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৩ জন কর্মকর্তা, ৮৪ জন ক্যাডেট, ৪৮ জন সিনিয়র নাবিক এবং ২৩ জন নাবিক রয়েছেন।
তিনি বলেন, আমরা এখন ওই ২০৮ জনকে জাহাজ থেকে আমাদের নৌযানে নিয়ে এসে কলম্বো বন্দরে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছি। এরপর ওই জাহাজের ক্রু ও আমাদের নাবিকদের ত্রিনকমালি বন্দরের এলাকায় নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।