• ঢাকা শনিবার
    ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

ভারত ও চীনের ওপর ১০০% শুল্ক আপাতত স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের

প্রকাশিত: অক্টোবর ১৭, ২০২৬, ১২:০১ পিএম

ভারত ও চীনের ওপর ১০০% শুল্ক আপাতত স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভারত ও চীনের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি থাকা একটি বিতর্কিত আইনের প্রয়োগ আপাতত স্থগিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ‘জাতীয় স্বার্থের’ কথা উল্লেখ করে এক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে তা মওকুফ করা হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মাসে ট্রাম্প ‘লিন্ডসে ও গ্রাহাম স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অব ২০২৬’ নামক একটি বিলে স্বাক্ষর করেছিলেন। এই আইনের অধীন রাশিয়ার তেল কেনা শীর্ষ ৫টি দেশ—ভারত, চীন, স্লোভাকিয়া, হাঙ্গেরি ও আজারবাইজান থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর শতভাগ শুল্ক আরোপের জন্য ৩০ দিনের সময় দেওয়া হয়েছিল, যার মেয়াদ ১৮ অক্টোবর শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে ১৮ অক্টোবরের ঠিক এক দিন আগে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ট্রাম্প তা মওকুফ করেন।

তবে এই স্থগিতাদেশ সাময়িক, ট্রাম্প চাইলে পরবর্তীতে আবার শুল্ক আরোপ করতে পারবেন।

মার্কিন এই ছাড়ের ফলে আপাতত শতভাগ শুল্কের বোঝা থেকে বেঁচে গেল ভারত।

এর আগে, গত মাসে ভারত জানিয়েছিল, দেশের ১৪০ কোটি মানুষের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যা যা প্রয়োজন তা করা হবে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ভারত তুলে ধরেছিল যে, এই ধরনের শুল্ক আরোপ কেবল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ওপরই নয়, আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের ওপরও চরম ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ট্রাম্প সম্প্রতি রাশিয়ার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব দেখাচ্ছেন। এ ছাড়া ইউক্রেনের জন্য শতভাগ শুল্কের কঠোর আইন তৈরি করা হলেও ট্রাম্প তা প্রয়োগে অনাগ্রহ দেখাচ্ছেন। এমনকি সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেল সরবরাহের জন্য রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে একটি নতুন চুক্তিও সম্পন্ন করেছে ট্রাম্প প্রশাসন, যার অধীনে প্রথম দফাতেই ৩ লাখ টন ডিজেল পাবে যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যকার এই ডিজেল চুক্তির তীব্র সমালোচনা করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি একে একটি ‘দুর্বল সিদ্ধান্ত’ বলে আখ্যা দেন।

অন্যদিকে, ট্রাম্প পাল্টাজবাব দিয়ে বলেছেন যে, যুদ্ধ শেষ করে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছেন জেলেনস্কি, তাই এখন ইউক্রেনের একজন নতুন প্রেসিডেন্ট বা নেতা বেছে নেওয়ার সময় এসেছে।

আর্কাইভ