প্রকাশিত: আগস্ট ৬, ২০২৬, ১২:২৭ পিএম
সকালে নিয়মিত দেরিতে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাসকে অনেকেই সাধারণ বিষয় মনে করেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে দেরিতে ঘুম ভাঙা বা অতিরিক্ত ঘুম শরীরের জন্য সতর্ক সংকেত হতে পারে। এটি শুধু দৈনন্দিন কর্মক্ষমতাই কমায় না, বরং নানা শারীরিক ও মানসিক সমস্যার ঝুঁকিও বাড়াতে পারে।
চিকিৎসকদের মতে, পর্যাপ্ত সময় ঘুমিয়েও যদি প্রতিদিন সকালে উঠতে কষ্ট হয় বা দীর্ঘ সময় বিছানায় থাকতে ইচ্ছা করে, তাহলে এর পেছনে ঘুমের অনিয়ম, মানসিক চাপ, অবসাদ, থাইরয়েডের সমস্যা, স্লিপ অ্যাপনিয়া বা অন্যান্য স্বাস্থ্যগত কারণ থাকতে পারে।

নিয়মিত দেরিতে ঘুম থেকে ওঠার ফলে শরীরের জৈবিক ঘড়ি (Body Clock) বিঘ্নিত হতে পারে। এতে ক্লান্তি, মনোযোগের ঘাটতি, কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া, ওজন বৃদ্ধি, উচ্চ রক্তচাপ, টাইপ–২ ডায়াবেটিস এবং হৃদ্রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে ওঠা, রাতে ৭–৯ ঘণ্টা মানসম্মত ঘুম নিশ্চিত করা, ঘুমানোর আগে মোবাইল বা অন্যান্য স্ক্রিনের ব্যবহার কমানো এবং নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।
যদি দীর্ঘদিন ধরে দেরিতে ঘুম ভাঙার সমস্যা থেকে যায়, অথবা এর সঙ্গে অতিরিক্ত ক্লান্তি, নাক ডাকা, শ্বাস আটকে যাওয়া বা সারাদিন ঘুম ঘুম ভাব থাকে, তাহলে দ্রুত একজন চিকিৎসক বা ঘুম-সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।