• ঢাকা মঙ্গলবার
    ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

শিশুদের পদচারণায় মুখর বইমেলা প্রাঙ্গণ

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৩, ০৩:২৪ পিএম

শিশুদের পদচারণায় মুখর বইমেলা প্রাঙ্গণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

একুশে বইমেলায় শিশুদের মূল আকর্ষণ শিশুপ্রহর। শুক্রবার ও শনিবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলে শিশুপ্রহর। সেই অনুযায়ী, শুক্রবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মেলা প্রাঙ্গণের শিশু চত্বর নান্দনিক করে সাজানো হয়।
মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায়, শুক্রবার সকাল থেকেই অভিভাবকদের হাত ধরে মেলা প্রাঙ্গণে আসতে থাকে শিশুরা। বইয়ের রাজ্যে এসে মহাখুশি তারা।

শিশু চত্বরের স্টলগুলোতে শিশুদের বই রাখা হয়েছে। সেখানে চলন্তিকা বইঘর, শিশু প্রকাশ, শৈশব, চিলড্রেনস বুক, সিসিমপুর ইত্যাদি স্টল রয়েছে, যেগুলোতে রয়েছে শিশুদের বই। 

বাবার হাত ধরে একুশে বইমেলায় এসেছে পাঁচ বছরের শিশু অবন্তিকা। এবারেই বইমেলায় প্রথম সে। শিশুপ্রহরে অবন্তিকার আবদারে তাকে সিসিমপুর থেকে হালুম আর টুকটুকির বই কিনে দিয়েছেন বাবা।  মূলত শিশুদের বই পড়ায় আগ্রহী করে তুলতেই মেলার একটি অংশকে ঘোষণা করা হয় শিশুপ্রহর হিসেবে।  

এই আয়োজনে বরাবরই শিশুদের কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় সিসিমপুরের চরিত্রগুলো। তবে এবার শিশুদের আনন্দ দিতে স্টেজে হালুম, ইকরি ও টুকটুকির দেখা মেলেনি। তবে বই দেখেই আনন্দ নিয়েছে শিশুরা।

এ নিয়ে অবন্তিকা বলেন, মেলায় এসে অনেক বই দেখে আমার ভীষণ ভালো লাগছে। আমর নানু বাড়িতেও এতো বই নেই। এখানে অনেক বই। সবগুলো আমি ঘুরে ঘুরে দেখেছি। আর রাজকুমারী আর ভূতের গল্পের বই কিনেছি। 

শিশুতোষ প্রকাশনা সংস্থা বাবুই-এর প্রকাশক কাদের বাবু বলেন, শিশু চত্বর এখনো সম্পূর্ণ করা হয়নি। কিছু কাজ বাকি আছে। তবে ছুটির দিনে শিশুরা আসছে, বই দেখছে। আশা করি এবার একটি সুন্দর মেলা হবে।

এদিকে শিশু চত্বর ছাড়াও ছুটির দিনে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পাঠক দর্শনার্থীদের আনাগোনা ছিল বেশ দারুণ। সকাল থেকেই পরিবার নিয়ে মেলায় এসেছেন অনেকে। আর প্রকাশকেরা আশা করছেন, ছুটির দিনের মেলা জমে উঠবে বেশ।

এ বিষয়ে অনুপম প্রকাশনীর প্রকাশক মিলন কান্তি নাথ বলেন, দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় বইমেলার নানা পরিবর্তন দেখেছি। এর ধারাবাহিকতা এবারও আছে। মেলার আয়োজন এবার ব্যতিক্রম। আশা করছি খুব ভালো বইমেলা হবে।

আরিয়ানএস/এএল

জাতীয় সম্পর্কিত আরও

আর্কাইভ