• ঢাকা মঙ্গলবার
    ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

পঞ্চগড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৭, ২০২৬, ১১:০৯ এএম

পঞ্চগড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড

পঞ্চগড় প্রতিনিধি

ঋতু বৈচিত্র্যে এখন চলছে হেমন্তকাল। শীতকাল আসতে আরো মাস খানেক সময় বাকি রয়েছে। উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে হেমন্তের শুরুতেই কমতে শুরু করেছে তাপমাত্রার পারদ। দিনের বেলা রোদের প্রখরতা তীব্র থাকলেও বেলা গড়িয়ে বিকেল হতেই শীতের অনুভূতি শুরু হয়। সন্ধ্যার পর থেকে বইতে থাকে হিমেল হাওয়া। রাত যতই গভীর হয় ততই শীতের অনুভূতি বাড়তে থাকে। শীতের অনুভূতি থাকে সূর্যোদয় পর্যন্ত। বেলা উঠার সাথে সাথে বাড়তি শুরু করে দিনের তাপমাত্রা। আবার দিনভর থাকে সূর্যের প্রখর রোদ। এভাবেই যেন হেমন্তের দিনগুলো শুরু করেছে প্রকৃতি।

বেলা গড়িয়ে সন্ধ্যার পরে রাত যতই গভীর হতে থাকে জেলায় যেন কুয়াশার পরিমাণ বাড়তে থাকে। রাতভর কুয়াশার পরে ভোরে কুয়াশার ঘনত্ব আরো বেড়ে যায়। তবে সূর্যের আলো ভূপৃষ্ঠে পড়ার পরপরই কমতে থাকে কুয়াশার পরিমাণ।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ। এর আগে সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে, গতকাল সোমবার বিকাল তিনটায় জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৩ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

পঞ্চগড় সদর উপজেলার ইজিবাইক চালক আজিজুল ইসলাম বলেন, গত কয়েকদিন ধরে শীতের তীব্রতা অনেকটা বাড়ছে। কিছুদিন আগেও কিন্তু কম শীত করতো। সকাল বেলা এখন ভ্যান নিয়ে বেড় হলে হালকা শীতের কাপড় নিতে হচ্ছে। সকাল বেলা ভ্যান চালাতে খুবই কষ্ট হচ্ছে।

পঞ্চগড় শহরের বাসিন্দা মকছেদুল ইসলাম বলেন, পুরোদমে শীত আসতে আরো ২০-২৫ দিন বাকী আছে। তবে তার আগেই শীত অনুভূতি কড়া নাড়ছে। সন্ধ্যার পরে হালকা কাপড় না পড়লে মোটরসাইকেল চালানো যায় না। রাতে পাতলা কম্বল মুড়ি দিয়ে ঘুমাতে হয়। ফ্যান চালানো তো বন্ধ করে দিয়েছি ১০-১৫ দিন আগেই।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, গত কয়েকদিন ধরে আকাশে মেঘ না থাকায় হিমালয়ের বাতাসে জেলায় তাপমাত্রার পারদ কমছে। শীত আসতে শুরু করেছে। তবে ৩১ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর জেলায় বৃষ্টি বলয় কেটে গেলে শীতের তীব্রতা আরো বাড়বে।

আর্কাইভ