• ঢাকা বুধবার
    ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২

জাতিসংঘে বাংরাদেশের প্রস্তাব গৃহীত, রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার পথ খুললো

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬, ০৪:৪১ পিএম

জাতিসংঘে বাংরাদেশের প্রস্তাব গৃহীত, রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার পথ খুললো

সিটি নিউজ ডেস্ক

রাষ্ট্রীয় নির্যাতন বা গুমের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণসহ পুনর্বাসনের অধিকার কার্যকরভাবে নিশ্চিত করতে নির্যাতন, অন্যান্য নিষ্ঠুর–অমানবিক–অবমাননাকর আচরণ বা শাস্তির বিরুদ্ধে কনভেনশনের অনুচ্ছেদ ১৪ (১)–এর বিষয়ে বাংলাদেশের দেয়া ডিক্লারেশন প্রত্যাহারের প্রস্তাব জাতিসংঘে গৃহীত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।

এর আগে, গত ২৯ ডিসেম্বর প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে এ ডিক্লারেশন (ঘোষণাপত্র) প্রত্যাহারের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়।

১৯৮৪ সালে নির্যাতনবিরোধী কনভেনশনটি গৃহীত হয়। বর্তমানে ১৭৩টি রাষ্ট্র এই কনভেনশন অনুসমর্থন করে। বাংলাদেশ ১৯৯৮ সালে কনভেনশনটিতে অনুসমর্থন দেয়।

কনভেনশনের অনুচ্ছেদ ১৪(১)-এর ক্ষেত্রে বাংলাদেশসহ মোট পাঁচটি রাষ্ট্র চুক্তিতে যোগদানের সময় রিজার্ভেশন (সংরক্ষণী শর্ত) দিয়েছিল। এ শর্তের কারণে এত দিন রাষ্ট্রীয় নির্যাতন বা গুমের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায্য ও পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণসহ পুনর্বাসনের অধিকার কার্যকরভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব ছিল না।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এখন রিজার্ভেশন প্রত্যাহারের ফলে রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন পাওয়ার পথ সুগম হলো। ফলে নির্যাতনের কারণে ভুক্তভোগীর মৃত্যু ঘটলে তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিরাও ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকারী হবেন।

এর মাধ্যমে মানবাধিকার সংরক্ষণে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী ও সুসংহত হওয়ার কথা বলা হচ্ছে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রের জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা বাড়বে।

আর্কাইভ