• ঢাকা শনিবার
    ১১ জুলাই, ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩

জাতিসংঘ ফোরামে জলবায়ু সহনশীলতা ও উদ্ভাবননির্ভর উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ বাংলাদেশের

প্রকাশিত: জুলাই ১১, ২০২৬, ০৯:১৪ এএম

জাতিসংঘ ফোরামে জলবায়ু সহনশীলতা ও উদ্ভাবননির্ভর উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ বাংলাদেশের

সিটি নিউজ ডেস্ক

জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়নবিষয়ক (এসডিজি) উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক ফোরামে জলবায়ু সহনশীলতা, পানি নিরাপত্তা, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনভিত্তিক শিল্পায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে বাংলাদেশ।

ফোরামে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আবদুল আউয়াল। এসময় তিনি জলবায়ু অভিযোজন ও টেকসই পানি ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অগ্রাধিকার তুলে ধরেন।

তিনি জানান, সেচব্যবস্থা শক্তিশালী করা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর পুনরুদ্ধার এবং গ্রামীণ ও শহুরে জনগণের জন্য নিরাপদ পানীয়জল নিশ্চিত করতে আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্পসহ আন্তঃসীমান্ত পানি ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এসডিজি-৯ বিষয়ক পৃথক এক অধিবেশনে অধ্যাপক আউয়াল বলেন, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রাক্কালে বাংলাদেশের উন্নয়ন কৌশলের মূলভিত্তি হিসেবে সহনশীল অবকাঠামো, টেকসই শিল্পায়ন এবং উদ্ভাবনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতের কর্মসংস্থানের জন্য তরুণদের প্রস্তুত করতে সরকার দক্ষতা ও জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা-প্রশিক্ষণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা, ডিজিটাল অবকাঠামো এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে।

এ সময় তিনি বাংলাদেশের কৃষি, জৈবপ্রযুক্তি, ওষুধশিল্প, চামড়াশিল্প, ডিজিটাল ও সৃজনশীল শিল্পখাতে বিনিয়োগের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।

ড. আউয়াল বলেন, সাম্প্রতিক অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে একটি স্থিতিশীল, স্বচ্ছ ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ফলে বাংলাদেশ এখন বিদেশি বিনিয়োগের জন্য আরও আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে এবং টেকসই ও পারস্পরিক লাভজনক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার অনুকূল সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এসব উদ্যোগ বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে আরও সুসংহত করবে, নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং একটি সহনশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
 

জাতীয় সম্পর্কিত আরও

আর্কাইভ