• ঢাকা শনিবার
    ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩

‘সর্বোচ্চ ২ বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীরা এক সপ্তাহ পর থেকে একমাসের মধ্যে পুনঃ পরীক্ষা দিতে পারবে’

প্রকাশিত: অক্টোবর ৩১, ২০২৬, ১২:১৯ পিএম

‘সর্বোচ্চ ২ বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীরা এক সপ্তাহ পর থেকে একমাসের মধ্যে পুনঃ পরীক্ষা দিতে পারবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। এর মধ্যে এক ও দুই বিষয়ে ফেল করেছেন ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন শিক্ষার্থী। এসব শিক্ষার্থীর পুনরায় পরীক্ষা আগামী এক মাসের মধ্যে নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

শিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, ফলাফল অনুযায়ী, এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। আগামী এক মাসের মধ্যে এসব পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় কোনো পরীক্ষার্থী এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হলে তাকে এক বছর পর (পরের বছরের পরীক্ষায়) আবার পরীক্ষায় বসতে হয়। সে ক্ষেত্রে শুধু অকৃতকার্য হওয়া বিষয়গুলোতে অথবা চাইলে সব বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকে। কিন্তু একটি বা দুটি বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ার কারণে একজন শিক্ষার্থীকে দীর্ঘ এক বছর অপেক্ষা করতে হয়। এতে শিক্ষাজীবনে পিছিয়ে পড়ার পাশাপাশি বাড়তি মানসিক চাপও তৈরি হয়।

এর আগে শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহাদী আমিন বলেন, এক বা দুই সাবজেক্টে যারা অকৃতকার্য হবে, তাদের জন্য আবার পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা করতে যাচ্ছি। এর মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীদের যেন একটা বছর ঝরে না পড়ে এবং তারা যেন তাদের পছন্দের সাবজেক্টে ভর্তি হতে পারে, ফারদার এডুকেশনে যেতে পারে বা অল্টারনেটিভ যদি কারো কোনো ডিফারেন্ট ট্র্যাকে মনোনিবেশ করতে ইচ্ছা হয়, কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার সুযোগ হয়—সবগুলোকে মিলিয়ে আমরা একটা সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চাই।

তথ্যমতে, চলতি বছর ১১টি বোর্ডের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ। ফল উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে একযোগে প্রকাশিত হবে। এর মাধ্যমে দেশের ১১টি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে থাকা ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ পরীক্ষার্থীর আড়াই মাসের প্রতীক্ষার অবসান ঘটছে।

আর্কাইভ