প্রকাশিত: মার্চ ১০, ২০২৬, ০১:০৪ পিএম
সরকারের এলজিআরডি মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমপি বলেছেন, ‘নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম সরকারে এলে ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হবে। আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে যাচ্ছি। আমরা আমাদের কথা রেখেছি।’
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের সম্মিলিত ইউআই আলিম মাদরাসা প্রাঙ্গণে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমে প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব মন্তব্য করেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘প্রাথমিক পর্যায়ে আমরা কাজ শুরু করেছি। এই কার্ড সবাই পাবেন, প্রত্যেক ঘরে ঘরে যাবে। শুধু সময়ের ব্যাপার।
ফ্যামিলি কার্ড একটা শক্তি বা ক্ষমতা। যেটা নিয়ে আপনি সব জায়তায় দাঁড়াতে পারবেন। এই কার্ডের মাধ্যমে একটা ক্ষমতা তৈরি হবে আপনাদের। পুরুষেরা আপনাদের গুরুত্ব দেওয়া শুরু করবে।
সবার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই। তিনি আমাদের এই এলাকা বেছে নিয়েছেন।’
সরকারে আসার ২২ দিনের মধ্যে কার্ড দিয়েছি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘১০ হাজার টাকা কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। ১৬ তারিখে খাল-খনন শুরু হবে। বর্ষার সময় যে পানি হয় সেটা সংরক্ষণ করে খরায় কাজে লাগানো হবে।
প্রত্যেকটা কৃষককে কৃষি কার্ড দেওয়া হবে। তা দিয়ে ন্যায্যমূল্যে সার, সেচ ও বীজ কিনতে পারবেন।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘১৫ বছর আইনকানুন ছিল না। আমাদের নানাভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। টাকা ছাড়া কার্ড পাওয়া যেত না। এবারে কোনো টাকা-পয়সা লাগেনি। হতাশ হবেন না, সবাইকে কার্ড দেওয়া হবে। নারী ডিসি, এসপিরাও কার্ড পাবেন। তিনি কি কাজে ব্যবহার করবেন সেটা পরের বিষয়। জনগণের শক্তির কাছে কোনো শক্তিই বড় নয়।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগে বলেছিলাম এটা আমার শেষ নির্বাচন। আপনারা আমাকে নির্বাচিত করেছেন। আমি আপনাদের ঋণ কখনো শোধ করতে পারব না। তবে কিছু কাজ করে যেতে চাই। ২০২৭ সালে মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি শুরু হবে। বিশ্ববিদ্যালয়-বিমানবন্দরের কাজ শুরু হবে। বেকারদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। মাদকের রোষানল থেকে প্রজন্মকে রক্ষা করব।’
এসময় ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আব্দুস সালাম, বিভাগীয় কমিশনার শহীদুল ইসলাম এনডিসি, জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানাসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।