প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩, ২০২৬, ০৩:৪১ পিএম
নতুন বছরে দর্শকদের জন্য মুক্তি পেয়েছে নাজনীন নীহারের একক নাটক অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ। নাটকটি নির্মাণ করেছেন ছোট ও বড় পর্দার আলোচিত নির্মাতা শিহাব শাহীন। গল্প ও চিত্রনাট্যও তারই লেখা। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সিএমভির ব্যানারে নাটকটি ২০২৬ সালকে বরণ করে নিয়ে তাদের ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি দেয়া হয়।
অল্প সময়ের অভিনয় ক্যারিয়ারেই দর্শকের নজর কেড়েছেন তরুণ অভিনেত্রী নাজনীন নীহার। ধারাবাহিকভাবে ভিন্ন গল্প ও চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পাচ্ছেন তিনি। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দর্শক প্রত্যাশা পূরণে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। গত বছর মেঘবালিকা, চুপকথা, উইশ কার্ড, মিথ্যা প্রেমের গল্প, সহযাত্রীসহ একাধিক নাটকে অভিনয় করে দর্শক প্রশংসা কুড়িয়েছেন ছোট পর্দার এই আলোচিত তারকা।
নতুন বছরে দর্শকদের জন্য মুক্তি পেয়েছে নাজনীন নীহারের একক নাটক অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ। নাটকটি নির্মাণ করেছেন ছোট ও বড় পর্দার আলোচিত নির্মাতা শিহাব শাহীন। গল্প ও চিত্রনাট্যও তারই লেখা। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সিএমভির ব্যানারে নাটকটি ২০২৬ সালকে বরণ করে নিয়ে তাদের ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি দেয়া হয়।
নাটকে নাজনীন নীহারের বিপরীতে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা তৌসিফ মাহবুব। আরো বিভিন্ন চরিত্রে রয়েছেন শতাব্দী ওয়াদুদ, মাসুম রেজওয়ান, আয়েশা লাবণ্যসহ একঝাঁক পরিচিত শিল্পী।
অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ নাটকের গল্প গড়ে উঠেছে একটি বিয়েকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া নানা জটিলতা নিয়ে। বিয়ের পর একে অপরকে ঠিকভাবে বুঝতে না পারার দ্বিধা, অচেনা একজন মানুষের সঙ্গে জীবন কাটানোর অনিশ্চয়তা এবং ভালোবাসার বন্ধন কীভাবে গড়ে উঠবে সেই প্রশ্নই উঠে এসেছে গল্পের পরতে পরতে। সংসার ও দায়িত্ব পালনের চাপের ভেতর দিয়ে চরিত্রগুলোর জীবনে জন্ম নেয় নানা ঘটনা।
নাটকটি প্রসঙ্গে নাজনীন নীহা বলেন, গল্পটি খুবই চেনা জগতের। প্রতিটি চরিত্রেই পরিচিত মানুষের ছায়া পাওয়া যাবে। তাই এটি একটি গল্প হলেও দর্শকের কাছে বাস্তব মনে হবে। প্রথম গল্প শোনার পরই তার মনে হয়েছিল, এই গল্পের সঙ্গে দর্শক সহজেই সংযোগ অনুভব করবে। তৌসিফ মাহবুব ও শতাব্দী ওয়াদুদের মতো দর্শকপ্রিয় অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ এবং শিহাব শাহীনের পরিচালনা তার আত্মবিশ্বাস আরো বাড়িয়েছে। নির্মাণ শেষে সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন পাওয়া গেছে বলেও জানান তিনি।এরই মধ্যে নাটকটি ইউটিউবে মুক্তির পর দর্শক মনে সাড়া ফেলেছে।