প্রকাশিত: মে ১২, ২০২৬, ০৯:৩৩ এএম
নিজ দল লেবার পার্টি–র ভেতর থেকেই পদত্যাগের দাবির মুখে তীব্র চাপের মধ্যে পড়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। দলের চারজন পার্লামেন্টারি প্রাইভেট সেক্রেটারি (পিপিএস) পদত্যাগ করেছেন এবং হাউস অব কমন্সে লেবার পার্টির প্রায় ৭০ জন এমপি তাঁর নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
সোমবার লন্ডনে দলীয় সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া এক বক্তব্যে স্টারমার নেতৃত্ব পরিবর্তনের বিরুদ্ধে সতর্ক করে বলেন, বর্তমান সময়ে নেতৃত্বের লড়াই শুধু বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে। তিনি দল ও ভোটারদের কাছে পাশে থাকার আহ্বান জানিয়ে ভবিষ্যতে আরও দৃঢ় ও সাহসী ভূমিকা পালনের প্রতিশ্রুতি দেন।
তবে গত সপ্তাহের স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির ভরাডুবির পর দলীয় অসন্তোষ আরও তীব্র হয়ে ওঠে। অর্থনীতি ও জনজীবনের নানা সংকট মোকাবিলায় ব্যর্থতার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।
পদত্যাগকারী পিপিএসদের মধ্যে রয়েছেন উপপ্রধানমন্ত্রীর সহযোগী মেলানি ওয়ার্ড, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সহযোগী জো মরিস, পরিবেশমন্ত্রীর সহযোগী টম রুটল্যান্ড এবং ক্যাবিনেট অফিসের সহযোগী নওশাবাহ খান।
তাঁদের দাবি, ৬৩ বছর বয়সী স্টারমার আগামী ২০২৯ সালের জাতীয় নির্বাচনে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য উপযুক্ত নন। এজন্য নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরুরও দাবি উঠেছে দলটির ভেতরে।
পদত্যাগপত্রে টম রুটল্যান্ড উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী কেবল দলীয় এমপিদের মধ্যেই নয়, পুরো দেশের কাছেই তাঁর কর্তৃত্ব হারিয়েছেন। অন্যদিকে মেলানি ওয়ার্ড বলেন, স্থানীয় নির্বাচনের ফলাফল দলকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে।