• ঢাকা মঙ্গলবার
    ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংকট সমাধানের একমাত্র পথ আলোচনা, নিষেধাজ্ঞা নয়:কাতার

প্রকাশিত: আগস্ট ২৫, ২০২৬, ০৭:৩০ পিএম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংকট সমাধানের একমাত্র পথ আলোচনা, নিষেধাজ্ঞা নয়:কাতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের কর্মসূচি নিয়ে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজিদ আনসারী বলেছেন, এই নিষেধাজ্ঞাগুলো একতরফা এবং কাতার মধ্যস্থতার মাধ্যমে এই সংকট সমাধানের পক্ষপাতী।

এক সংবাদ সম্মেলনে এই কথা বলেছেন তিনি।

মাজিদ আনসারী বলেন, “এই নিষেধাজ্ঞাগুলো একতরফা। এগুলো জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা নয় কিংবা বহুপাক্ষিক সংস্থাগুলোরও সিদ্ধান্ত নয়। তাই এই প্রশ্নগুলো তাদের করা উচিত যারা এগুলো চাপিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”

তিনি আরো বলেন, “আমাদের অগ্রাধিকার সবসময় আলোচনার মাধ্যমে একটি কূটনৈতিক সমাধানের দিকে ছিল। আমরা সব পক্ষকে কাতার, পাকিস্তান এবং অন্যান্য আঞ্চলিক শক্তির মধ্যস্থতায় হওয়া আলোচনায় পূর্ণাঙ্গভাবে অংশ নিতে আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা বিশ্বাস করি এটিই এই সংকট থেকে বেরিয়ে আসার একমাত্র পথ। আমরা আবারো সব পক্ষকে আলোচনায় বসতে অনুরোধ করছি।”

আল জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি বন্ধে ইরানের পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতার লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছেন মি. আনসারী।

একইসঙ্গে তিনি জানান, কোনো পক্ষ থেকে কোনো প্রকার হুমকি আসলে তার জবাব দিতে কাতারের সশস্ত্র বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।

তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, “কাতারি সরকারের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করা, পণ্য রপ্তানি পুনরায় শুরু করা, বৈশ্বিক জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সাপ্লাই চেইন সুরক্ষিত রাখা।”

পাকিস্তানের পাশাপাশি কাতারও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যের সংকট সমাধানে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে।

যদিও ইরান কাতারের গ্যাস স্থাপনায় আঘাত হেনেছে এবং সেখানে অবস্থিত মার্কিন বিমানঘাঁটি আল-উদেইদে বারবার বোমা হামলা চালিয়েছে।

অন্যদিকে, ইরান দাবি করছে, যুদ্ধের প্রথদিকে কাতার গুলি করে তাদের দুইটি বিমান ভূপাতিত করে সেগুলোর তিনজন পাইলটকে বন্দি করে রেখেছে এবং তাদের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ দাবি করেছে দেশটি।

আন্তর্জাতিক সম্পর্কিত আরও

আর্কাইভ