• ঢাকা রবিবার
    ০৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সন্দেহভাজন ট্রলার ধরতে গিয়ে বাধা পেল ফিলিপাইন, আকাশে চক্কর দিচ্ছিল চীনা হেলিকপ্টার

প্রকাশিত: অক্টোবর ৪, ২০২৬, ০৯:৩৪ পিএম

সন্দেহভাজন ট্রলার ধরতে গিয়ে বাধা পেল ফিলিপাইন, আকাশে চক্কর দিচ্ছিল চীনা হেলিকপ্টার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

দক্ষিণ চীন সাগরে থিতু দ্বীপের কাছে একটি বিদেশি ট্রলার ডিনামাইট দিয়ে মাছ ধরছিল। তাদের ধরতে সমুদ্রে অভিযান চালায় ফিলিপাইনের কোস্টগার্ড। কিন্তু মাঝপথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় চীনের কয়েকটি জাহাজ। এমনকি আকাশে চক্কর দিতে থাকে চীনা নৌবাহিনীর হেলিকপ্টার।

ফিলিপাইন এই ঘটনাকে ‘অপ্রয়োজনীয় ভীতি প্রদর্শন’ বলে উল্লেখ করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে সাগরে এই দুই দেশের মধ্যে একাধিক মুখোমুখি অবস্থানের এটিই সর্বশেষ ঘটনা।

রোববার (০৪ অক্টোবর)ফিলিপাইনের কোস্টগার্ড জানায়, থিতু দ্বীপের তিন নটিক্যাল মাইল পশ্চিমে স্যান্ডি কেজ এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। থিতু দ্বীপটি ফিলিপাইনে ‘পাগ-আসা’ নামে পরিচিত। তাদের কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী ও পুলিশের একটি যৌথ দল ওই ট্রলারটি ধরতে যায়। তখন চীনের দুটি কোস্টগার্ড জাহাজ হর্ন বাজিয়ে তাদের পথ আটকে দেয়। পাশাপাশি চীনা নৌবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার চারবার তাদের মাথার ওপর দিয়ে চক্কর দেয়।

ফিলিপাইনের দলটি রেডিওর মাধ্যমে বিদেশি ট্রলারটিকে থামার নির্দেশ দেয়। কিন্তু তারা নির্দেশ অমান্য করে চীনের কৃত্রিম দ্বীপ সুবি রিফের দিকে পালিয়ে যায়। নিরাপত্তার কথা ভেবে ফিলিপাইন দলও পিছু হটে। কোস্টগার্ডের দাবি, চীনের এমন আচরণের কারণেই সন্দেহভাজন ট্রলারটি পালানোর সুযোগ পেয়েছে। ওই অঞ্চলে চীনের কোনো আইনি অধিকার নেই। চীনের তাড়িয়ে দেওয়ার দাবিও তারা প্রত্যাখ্যান করেছে।

মূল ভূখণ্ড থেকে ৪৫০ কিলোমিটার দূরের ৩৭ হেক্টরের থিতু দ্বীপটি ফিলিপাইনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই উত্তেজনা কেবল পানিতেই সীমাবদ্ধ নেই। ফিলিপাইনের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, শনিবার স্কারবোরো শোলের কাছে তাদের একটি টহল বিমানের খুব কাছে চলে আসে চীনের একটি জে-১৬ যুদ্ধবিমান। এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। তবে এসব ঘটনা নিয়ে ম্যানিলায় অবস্থিত চীনা দূতাবাস এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।

আর্কাইভ