• ঢাকা সোমবার
    ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২

বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে পাকিস্তানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে আজ

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৬, ২০২৬, ১১:০২ এএম

বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে পাকিস্তানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে আজ

ক্রীড়া ডেস্ক

আইসিসি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের বিষয়ে সোমবার (২৬ জানুয়ারি) চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে পাকিস্তান সরকার। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠকের পরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) সামা টিভির খবরে জানানো হয়, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান সৈয়দ মহসিন রাজা নকভি আজ প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। প্রধানমন্ত্রী আজ লন্ডন থেকে লাহোরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। 

সূত্র জানায়, বৈঠকে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘিরে বিদ্যমান পরিস্থিতি ও সামগ্রিক বিষয় প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করবেন পিসিবি চেয়ারম্যান। এরপর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার ভিত্তিতেই বিশ্বকাপে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে, জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে আলাপকালে মহসিন নকভি বলেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অবস্থান নীতিনির্ভর এবং ক্রিকেটের মৌলিক মূল্যবোধকে সামনে রেখেই পাকিস্তান বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে। তিনি আরও বলেন, ক্রিকেটকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা কোনো পক্ষের জন্যই মঙ্গলজনক নয়। এ বিষয়ে সরকার যে সিদ্ধান্ত নেবে, পিসিবি তা পুরোপুরি অনুসরণ করবে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে তাদের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে।

আইসিসির বিবৃতিতে বলা হয়, নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ নিয়ে প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা চালানো হয় এবং অভ্যন্তরীণ ও বহিরাগত বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে বিস্তারিত নিরাপত্তা মূল্যায়ন করা হয়। পর্যালোচনার পর ভারতে বাংলাদেশের দলের জন্য কোনো যাচাইযোগ্য নিরাপত্তা হুমকির প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানায় আইসিসি।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না পাওয়ায় আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী বিকল্প দল হিসেবে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বর্তমানে টি–টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে স্কটল্যান্ডের অবস্থান ১৪তম, যা নামিবিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, নেপাল, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ওমান ও ইতালির চেয়ে এগিয়ে।
 

আর্কাইভ