• ঢাকা রবিবার
    ২৭ নভেম্বর, ২০২২, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

ইন্দুরকানীতে সুপারি চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়লো জেপি নেতা

প্রকাশিত: নভেম্বর ১৭, ২০২২, ১০:৩১ পিএম

ইন্দুরকানীতে সুপারি চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়লো জেপি নেতা

পিরোজপুর প্রতিনিধি

পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে রাতের আঁধারে অন্যের বাগান থেকে সুপারি চুরি করতে যেয়ে হাতেনাতে ধরা পড়েছেন কামরুল ইসলাম নাঈম নামে জাতীয় পার্টির স্থানীয় এক নেতা। ধরা খাওয়ার পর গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। বুধবার (১৭ নভেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার পত্তাশী ইউনিয়নের চরনী পত্তাশী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

কামরুল ইসলাম নাঈম চরনী পত্তাশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি  ও  ৪নং  ওয়ার্ড জাতীয় পার্টির সহ-সাধারণ সম্পাদক। এ ছাড়া তিনি গত ইউপি নির্বাচনে পত্তাশী ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ড থেকে ইউপি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে উপজেলার চরনী পত্তাশী গ্রামে কামরুল ইসলাম নাঈম খানের নেতৃত্বে তার চারজন সহযোগী একটি বাগান থেকে সুপারি চুরি করে। তখন সুপারী বাগানের মালিক মোজাম্মেল ও স্থানীয়রা মিলে সুপারিসহ কামরুলকে ধরে ফেলে। এসময় গণপিটুনি দিয়ে রাতেই ইন্দুরকানী থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয় তাকে। পরে বৃহস্পতিবার বিকেলে অভিযুক্ত কামরুল ইসলাম নাঈমকে স্থানীয়ভাবে মিমাংসার শর্তে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

সুপারি বাগানের মালিক মোজাম্মেল হোসেন জানান, সুপারি চুরির অভিযোগে স্থানীয় জনতা গণপিটুনি দিয়ে চোরাই সুপারিসহ স্কুল কমিটির সভাপতি কামরুল ইসলাম নাঈমকে পুলিশে সোপর্দ করে। পরে অভিযুক্ত কামরুল ইসলামকে তার স্বজনদের কথায় সালিশ বৈঠকে মিমাংসার শর্তে থানা থেকে মুক্ত করা হয়।

অভিযুক্ত সভাপতি কামরুল ইসলামের ভাই ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক আ. রাজ্জাক খান জানান, রাতে কয়েক ছড়ি সুপারি দেখেছি, এটা ষড়যন্ত্র হতে পারে। তবে তিনি এ বিষয় মিমাংসা হবে বলে জানান।

ইন্দুরকানী থানার ওসি মো. এনামুল হক জানান, চোরাই সুপারিসহ রাতে কামরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে চুরির অভিযোগে পুলিশের কাছে দেয় স্থানীয়রা। পরে বাদী এজাহার না দেয়ায় স্থানীয়ভাবে মিমাংসার শর্তে বাদীর জামিনে অভিযুক্তকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

 

এসএই/এএল

 

আর্কাইভ