• ঢাকা শনিবার
    ০৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড

প্রকাশিত: অক্টোবর ৩, ২০২৬, ০৯:৫৬ পিএম

রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র ১ হাজার ৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে নতুন রেকর্ড গড়েছে। কেন্দ্রটির দুই ইউনিট মিলিয়ে এই প্রথম সর্বোচ্চ ১ হাজার ৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। উৎপাদিত এই বিদ্যুৎ সরাসরি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা আনোয়ারুল আজিম এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে প্রথম ইউনিট থেকে ৬৫৬ এবং দ্বিতীয় ইউনিট থেকে ৬৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। এসব বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

সম্প্রতি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটির দ্বিতীয় ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ ছিল। যান্ত্রিক ত্রুটি ঠিক হওয়ার পর নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের।

রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে ২০১০ সালে কেন্দ্রটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০১২ সালের ২৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ও ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার করপোরেশনের (এনটিপিসি) মধ্যে চুক্তি সই হয়। চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল) গঠন করা হয়।

প্রকল্পের আওতায় বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার রাজনগর ও গৌরম্ভা ইউনিয়নের সাপমারী-কৈগর্দ্দাশকাঠি মৌজায় ১ হাজার ৩৪ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু হয়।

দীর্ঘ নির্মাণপ্রক্রিয়া শেষে ২০২২ সালের ২৩ ডিসেম্বর কেন্দ্রটির ৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রথম ইউনিট উৎপাদনে যায়। পরের বছর ২৪ অক্টোবর পরীক্ষামূলকভাবে দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন শুরু হয়।

কেন্দ্রটির দুটি ইউনিটের মোট উৎপাদনক্ষমতা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট। তবে স্বাভাবিকভাবে দুটি ইউনিট একসঙ্গে চালু থাকলে ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়ে থাকে।

আর্কাইভ