প্রকাশিত: আগস্ট ৩, ২০২৬, ১০:১৬ পিএম
শিশুদের মধ্যে পেটে কৃমি একটি সাধারণ সমস্যা। তবে সময়মতো চিকিৎসা ও কিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে এ সমস্যা সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। চিকিৎসকদের মতে, কৃমি দীর্ঘদিন থাকলে শিশুর অপুষ্টি, রক্তশূন্যতা, ওজন না বাড়া এবং শারীরিক ও মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, শিশুর পেটে কৃমির সন্দেহ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বয়স ও ওজন অনুযায়ী কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়াতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে ছয় মাস বা এক বছর পরপর নিয়মিত কৃমিনাশক ওষুধ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়, তবে এটি চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী হওয়া উচিত।

কৃমি প্রতিরোধে শিশুকে সবসময় সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস করাতে হবে। বিশেষ করে খাওয়ার আগে এবং টয়লেট ব্যবহারের পরে হাত পরিষ্কার করা জরুরি। নখ ছোট রাখতে হবে এবং নখ কামড়ানোর অভ্যাস থাকলে তা বন্ধ করতে হবে।
এ ছাড়া বিশুদ্ধ পানি পান, ফলমূল ও শাকসবজি ভালোভাবে ধুয়ে খাওয়ানো এবং খাবার ঢেকে রাখা প্রয়োজন। শিশুকে খালি পায়ে মাটি বা নোংরা স্থানে হাঁটতে না দেওয়ার পরামর্শও দেন বিশেষজ্ঞরা।
যদি শিশুর পেটে তীব্র ব্যথা, বারবার বমি, মলে রক্ত, অতিরিক্ত দুর্বলতা, ওজন দ্রুত কমে যাওয়া বা কৃমি বের হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা যায়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক স্বাস্থ্যবিধি, নিরাপদ খাদ্যাভ্যাস এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কৃমিনাশক ওষুধ ব্যবহার করলে শিশুদের কৃমি সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।