• ঢাকা শুক্রবার
    ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

পাকিস্তানে কয়লাখনিতে বিস্ফোরণে নিহত অন্তত ৩২

প্রকাশিত: জুলাই ৩১, ২০২৬, ০২:৫৪ পিএম

পাকিস্তানে কয়লাখনিতে বিস্ফোরণে নিহত অন্তত ৩২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের কোয়েটার কাছে সোরাঞ্জ কয়লাখনিতে বিস্ফোরণে নিহত হয়েছেন অন্তত ৩২। একইসঙ্গে আরও ২ শ্রমিকের খোঁজে উদ্ধার অভিযান চলছে। খবর দ্য ডন

গতকাল (৩০ জুলাই) বৃহস্পতিবার কোয়েটা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত একটি বেসরকারি কয়লাখনিতে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। মূলত, মিথেন গ্যাসের বিস্ফোরণে খনির ভেতরে আগুন লাগে এবং খনির একটি অংশ ধসে পড়ে। এর প্রভাব পড়ে পাশের আরেকটি কয়লাখনিতেও।

বেলুচিস্তানের প্রধান খনি পরিদর্শক মোহাম্মদ আতিফ জানান, বিস্ফোরণের সময় দুই খনিতে মোট ৩৪ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন। তিনি বলেন, এ পর্যন্ত দুটি খনি থেকে ৩২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বিস্ফোরণ হওয়া খনিটিতে এখনও অভিযান চলছে। সেখানে আটকে পড়া আরও দুই শ্রমিককে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

এর আগে, কর্মকর্তারা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রথম খনিটিতে প্রায় ৪ হাজার ফুট গভীরে ২৪ জন শ্রমিক কাজ করার সময় বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের পরপরই খনির ভেতরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং কাঠামোর কিছু অংশ ধসে যায়।

এদিকে, মূল খনির পাশের আরেকটি খনিও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিস্ফোরণের সময় সেখানে ১২ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন। উদ্ধারকর্মী ও খনি প্রকৌশলীরা বিকল্প পথ তৈরি করে ক্ষতিগ্রস্ত খনিতে প্রবেশের চেষ্টা করেন। তবে খনির ভেতরে বিপুল পরিমাণ মিথেন গ্যাস ও আগুন থাকায় গভীরে আটকে পড়া শ্রমিকদের কাছে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে মরদেহ উদ্ধারেও বেগ পেতে হয়।

বেলুচিস্তানের খনি ও খনিজসম্পদবিষয়ক প্রাদেশিকমন্ত্রী মির শোয়েব নওশেরওয়ানি নিহত প্রতিটি শ্রমিকের পরিবারকে ৫ লাখ পাকিস্তানি রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দেন। আহত প্রত্যেক শ্রমিককে দেওয়া হবে ৩ লাখ পাকিস্তানি রুপি। পাশাপাশি ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্তেরও ঘোষণা দেন তিনি।

এর আগে, চলতি বছরের জুনে কোয়েটা বিভাগের খানুজাই এলাকায় খনিতে ব্যবহৃত বিস্ফোরক দুর্ঘটনাবশত বিস্ফোরিত হয়। এতে তিনজন আহত হন। আর এপ্রিল মাসে বোলান জেলার একটি কয়লাখনির দুর্ঘটনায় তিন শ্রমিক নিহত হয়েছিলেন।

আন্তর্জাতিক সম্পর্কিত আরও

আর্কাইভ