প্রকাশিত: আগস্ট ৯, ২০২৬, ১১:২৩ পিএম
গাজা চুক্তি প্রত্যাখ্যান করার মাধ্যমে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমস্ত প্রচেষ্টাকে সম্পূর্ণভাবে ভেস্তে দিয়েছেন। মূল চুক্তিটি গত ৩১ জুলাই মাত্র কয়েক দিন আগে ঘোষণা করা হয়েছিল, আর হোয়াইট হাউসে এ বিষয়ে ব্যাপক গুরুত্বও দেওয়া হয়েছিল।
সাম্প্রতিক সময়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহুর মধ্যকার সম্পর্ক দিন দিন আরও অবনতির দিকে যাচ্ছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে দুজনের মধ্যে অত্যন্ত উত্তপ্ত ও গালিগালাজপূর্ণ একটি ফোনালাপ হয়েছিল, যেখানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীকে অত্যন্ত কড়া ভাষায় তিরস্কার করেছিলেন।
ট্রাম্প এমন একজন প্রেসিডেন্ট যিনি বিশ্বমঞ্চে বিশেষ করে নিজের অবমূল্যায়ন বা অসম্মান কোনোভাবেই সহ্য করেন না। ফলে, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর জন্য এটি একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক খেলা হতে পারে।
ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রাথমিক নির্বাচনগুলোতে দেখা গেছে, ইসরাইলপন্থী শক্তিশালী লবিং ফার্ম এইপাক (AIPAC) বিভিন্ন নির্বাচনী দৌড়ে কোটি কোটি ডলার ব্যয় করা সত্ত্বেও ইসরাইলে মার্কিন সহায়তা প্রত্যাহারের দাবি জানানো প্রার্থীরাই নিজেদের প্রাইমারিতে জয়ী হয়েছেন। ডেমোক্রেটিক পার্টি ধীরে ধীরে ফিলিস্তিনিদের দাবির প্রতি ঝুঁকে পড়ছে।
অন্যদিকে, রিপাবলিকান পার্টির ওপর বর্তমান প্রেসিডেন্টের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। তাই তিনি যদি ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার সময় এসেছে বলে সিদ্ধান্ত নেন, তবে তা ইস্যু করে তুলতে পারেন এবং সেক্ষেত্রে সব না হলেও অনেক রিপাবলিকান নেতাই তার সঙ্গে সুর মেলাবেন।
নেতানিয়াহু মূলত এই ধারণার ওপর বাজি ধরছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইসরাইলের সর্বশেষ ও সবচেয়ে শক্তিশালী রাজনৈতিক মিত্র রিপাবলিকান পার্টির ওপর প্রেসিডেন্ট তার বিপুল ক্ষমতা ব্যবহার করে ইসরাইলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবেন না।