
প্রকাশিত: আগস্ট ৩০, ২০২৫, ০৭:৩৪ পিএম
রাজধানীর বিজয়নগরে জাতীয় পার্টির কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। আজ শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এক দল লোক জাতীয় পার্টির অফিসে আগুন ধরিয়ে দেয়। সেখানে বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য উপস্থিত রয়েছেন। এ ঘটনায় ওই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আজ শনিবার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করেন গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা। পরে তারা বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে। মিছিলটি পল্টন মোড় ঘুরে কাকরাইলের দিকে যায়। গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা তাদের কার্যালয়ের দিকে যেতে থাকে। জাতীয় পার্টির অফিসের সামনে আসলে মিছিল থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। এতে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে। এক পর্যায়ে একদল লোক জাপা কার্যালয় ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ।
এর আগে কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জাপা একাংশের মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী। গতকালের ঘটনার বিষয়ে তিনি বলেন, মশাল মিছিলের নামে শুক্রবার জাতীয় পার্টির অফিসে আগুন দিতে আসেন বেশ কয়েকজন। ওই সময় আগুনে পুড়ে যাওয়ার হাত থেকে নেতাকর্মীদের রক্ষা করেছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ। দেশের মঙ্গলের জন্য সেনাবাহিনীর আরও দৃশ্যমান হওয়া উচিত।
এর আগে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবিতে মিছিল করে গণঅধিকার পরিষদ। মিছিলটি জাপা কার্যালয়ের সামনে আসলে মিছিলকারীদের সঙ্গে জাতীয় পার্টির কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এতে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ আহত হন। পরে এ ঘটনা নিয়ে মশাল মিছিল শুরু করে গণঅধিকার পরিষদ। এ সময় শতাধিক নেতাকর্মী জাপা কার্যালয়ে আগুন দিতে যান। ইট-পাটকেল ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তারা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় এক পুলিশ সদস্যের মাথায় ইট লেগে আহত হন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসেন।
এদিকে রাত সাড়ে ৯টার দিকে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকে গণঅধিকার পরিষদ। সোয়া ৯টার দিকে নেতাকর্মীরা সম্মেলনস্থলে চলে যেতে শুরু করে। এক পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা গণঅধিকার পরিষদের নেতাদের ধাওয়া দেন। এক পর্যায়ে গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ের সামনে থাকা নুরুল হক নুরসহ অন্যদের ওপর হামলা করেন যৌথবাহিনীর সদস্যরা।