
প্রকাশিত: আগস্ট ৩০, ২০২৫, ১১:০৬ পিএম
দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে তরুণদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
সাউথ এশিয়ানস ফর হিউম্যান রাইটসের (সাহর) একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে এক বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা শনিবার (৩০ আগস্ট) এসব কথা বলেন। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এই তথ্য জানিয়েছে।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই আমরা সব স্তরে তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়ানোকে অগ্রাধিকার দিয়েছি। সংস্কার কমিশনে তাদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে এবং নীতি প্রণয়ন থেকে শুরু করে শাসনব্যবস্থার সব ক্ষেত্রেই তাদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে। যারা এক সময় উপেক্ষিত ছিল এবং এর ফলে ভুগেছে, সেই তরুণরাই এখন আন্দোলন-পরবর্তী সময়ে দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছে। আমরা যারা প্রবীণ, তাদের (তরুণদের) পথপ্রদর্শন ও সহায়তা করা আমাদের দায়িত্ব। এটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার জন্যই একটি চ্যালেঞ্জ।
সাহরের সহ-সভাপতি রোশমি গোস্বামী বর্তমান সময়কে শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, গোটা দক্ষিণ এশিয়ার জন্যই এক রূপান্তরমূলক মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, আমরা এখানে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। এই সরকারের প্রতি প্রত্যাশা খুবই বেশি, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে। সেই প্রত্যাশা পূরণ করা সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
প্রতিনিধিদল অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার উদ্যোগ ও মানবাধিকার নিশ্চিতে তাদের অঙ্গীকারকে সাধুবাদ জানায়। তারা গণতান্ত্রিক রূপান্তরকে মসৃণভাবে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সরকারের প্রচেষ্টারও প্রশংসা করে।
বৈঠকে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং সমাজকল্যাণ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদও উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে, সাহরের প্রতিনিধিদলে ছিলেন সংগঠনটির সহ-সভাপতি রোশমি গোস্বামী, মানবাধিকারকর্মী সারূপ ইজাজ (পাকিস্তান), দীক্ষ্যা ইল্লাঙ্গাসিংহে, অনুষয়া কল্লুরে (শ্রীলঙ্কা) এবং সায়ীদ আহমেদ (বাংলাদেশ)। বৈঠকে বাংলাদেশের চলমান গণতান্ত্রিক রূপান্তর প্রক্রিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।