প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬, ০১:৩৪ পিএম
স্থানীয় সরকারের পাঁচটি আইনের মধ্যে কোথাও এই নির্বাচনগুলোতে অংশ নিতে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, আগামীতে যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন, তাদেরকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সুইজারল্যান্ড রাষ্ট্রদূতের বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইউপি সদস্য ও চেয়ারম্যান, উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র, কাউন্সিলর, সিটি করপোরেশন মেয়র, কাউন্সিলর—এ সমস্ত পদে নির্বাচন করতে কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই বা প্রয়োজন হয় না।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকার আইনে স্পষ্ট বলা আছে, তিনি প্রজাতন্ত্রের বা পরিষদের বা অন্য কোনো স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কোনো কর্মে লাভজনক সার্বক্ষণিক পদে অধিষ্ঠিত যদি থাকেন, তাহলে তিনি অযোগ্য হবেন।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্কুল-কলেজ জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০২১-এ তারা বিধি ১১.১৭(ক), ১১.১৭-এর (খ) তারা যেটা স্পষ্টকরণ করেছে, সেখানে বলা আছে, এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষক-কর্মচারী একই সঙ্গে একাধিক কোনো পদ বা চাকরিতে বা আর্থিক লাভজনক কোনো পদে নিয়োজিত থাকতে পারবেন না।
তিনি আরও বলেন, ১১.১৭-এর (খ)-তে বলা হয়েছে, আর্থিক লাভজনক পদ বলতে সরকার কর্তৃক প্রদত্ত যেকোনো ধরনের বেতন, ভাতা, সম্মানী এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয়, আইন পেশাসহ কর্মের বিনিময়ে প্রদত্ত বেতন, ভাতা, সম্মানীকে বুঝাবে।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের বিধিমালা এবং প্রার্থীদের যোগ্য-অযোগ্যতাটা বিষয়টি দেখে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এখন ইসি আইন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যে নীতিমালা, সবকিছু নিয়ে ওরা একত্রিত করে ঠিক করবে যে এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে জামায়াত যদি সরকারের কোনো দায় চাপায় সেটি হবে না। সংসদে বিল পাস হওয়ার সময় তারাও ছিল।