• ঢাকা মঙ্গলবার
    ১৬ এপ্রিল, ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১

মার্টিনেজ বলেছিলেন পেনাল্টি রুখে দিব

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৩, ০৩:০৫ এএম

মার্টিনেজ বলেছিলেন পেনাল্টি রুখে দিব

ক্রীড়া ডেস্ক

দীর্ঘ প্রতিক্ষা শেষে ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপ জিতেছে আর্জেন্টিনা। প্রায় দেড় মাস হতে গেল কাতার বিশ্বকাপের ট্রফি উচিয়ে ধরেছেন লিওনেল মেসি। তবে বিশ্বকাপের সময়ের অজানা গল্পগুলো এতোদিন বলেননি মেসি -ডি মারিয়ারা। মেসি আর্জেন্টিনার এক সংবাদ মাধ্যমে স্বাক্ষাৎকারে বিস্তারিত অনেক কিছুই বলেছেন। এবার ডি মারিয়া জানালেন, ফাইনালে টাইব্রেকারের আগে এমিলিয়ানো মার্তিনেজ বলেছিলেন, চিন্তার কোনো কারণ নেই। তিনি জানিয়েছিলেন অন্তত দুটি পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেবেন।

ফাইনালে দুর্দান্ত খেলেন মারিয়া। প্রথমে পেনাল্টি আদায় করে দেন। পরে নিজেই দারুন এক গোল করেন। কিন্তু তাকে উঠিয়ে নেওয়ার পরই চেপে ধরে ফ্রান্স। এমনকি ২-০তে এগিয়ে থাকার পরও নির্ধারিত সময়ে জিততে পারেনি আর্জেন্টিনা। ডাক আউটে বসে শুধু ছটফট করেছেনে ডি মারিয়া।

পেনাল্টি শুটআউটের আগের অবস্থা নিয়ে ডি মারিয়া বলেন, ‌ ‘‘মার্টিনেজের কারণে আমরা পেনাল্টি নেওয়ার সময় সবাই শান্ত ছিলাম। সে আমাদের সবাইকে শান্ত থাকতে বলেছিল। সে বলেছিল আমি এক বা দুটি পেনাল্টি রুখে দিব। সে সেটা করে দেখিয়েছিল। এটা মানসিকভাব অনেক শান্তির। বিশেষ করে যারা পেনাল্টি নিতে গিয়েছিল তাদের জন্য। আমরা জানতাম যে আমাদের শুধু বল জালে জড়াতে হবে। বাকি কাজটা করবে মার্টিনেজ।"

দুই গোল এগিয়া থাকা আর্জেন্টিনা যখন রক্ষণভাগের শক্তি বাড়াতে থাকে তখনই জ্বলে ওঠেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। দুই মিনিটের মধ্যেই সেই দুটি গোল শোধ করে ফ্রান্সকে সমতায় ফেরান। বারবার তখন ক্যামেরা যাচ্ছিল ডি মারিয়ার দিকে। তার হতাশাও ছিল স্পষ্ট। অতিরিক্ত সময়েও মেসির গোলে আবার লিড নেয় আর্জেন্টিনা। অথচ আবারও এমবাপ্পে সমতায় ফেরান। থ্রিলার ফাইনালের সমাপ্তি হয় টাইব্রেকারে।

সেদিনের অবস্থা সামনে এনে ডি মারিয়া বলেন, ‌‘‘আমি মার্টিনেজের পেনাল্টি ঠেকানোর দৃশ্যটা দেখিনি। নিজের মাথা ঢেকে নিয়েছিলাম। ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় মানসিকভাবে শান্তিতে থাকার পর যা ঘটেছিল, তা কখনই আশা করিনি।"

তিনি বলেন, ‘‘এতো বাধার পরও আমরা যা চেয়েছিলাম শেষ পর্যন্ত সেটাই পেয়েছি। বিশেষ করে একজন ফুটবলারের জীবনে এরচেয়ে ভালো কিছুই হতে পারে না। আমরা যারা ২০১৪ সালে ছিলাম (বিশ্বকাপ ফাইনালে), তাদের জন্য এই ফাইনালে জেতাটা প্রাপ্য ছিল। যারা চিলি ও যুক্তরাষ্ট্রের কোপা আমেরিকার দলে ছিল, তাদের জন্যও এই জয়টা প্রাপ্য ছিল। একের পর এক ফাইনালে হারের পর আমরা অনেক বেশি সমালোচিত হয়েছিলাম। সবাই যেন মনে করতো আমরা নিজেরাই জিততে চাইনি!"

আর্কাইভ