প্রকাশিত: মার্চ ২৯, ২০২৬, ০৯:৪৯ এএম
ইরানে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের পরিকল্পনা সপ্তাহ ধরে তৈরি করে রেখেছে পেন্টাগন। হাজার হাজার মার্কিন সেনা মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন হয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে। ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কথা বলা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে তা ‘যুদ্ধের নতুন একটি পর্যায়’ হবে যা প্রথম চার সপ্তাহের লড়াইয়ের চেয়ে মার্কিন বাহিনীর জন্য ‘অনেক বেশি বিপজ্জনক’ হতে পারে। যেকোনো স্থল অভিযান পূর্ণ আক্রমণের মতো হবে না। এতে স্পেশাল অপারেশন বাহিনী ও সাধারণ পদাতিক সেনার অভিযান অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। কর্মকর্তারা বলেছেন, এই অভিযানে সেনারা ‘ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র, স্থল গোলাগুলি ও তাৎক্ষণিক বিস্ফোরকের’ মুখে পড়তে পারেন।
আলোচনায় ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপ এবং হরমুজ প্রণালীর কাছে উপকূলীয় অভিযানকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে রাখার কথা বলা হয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সম্ভাব্য অভিযান ‘মাস নয়, সপ্তাহব্যাপী’ হতে পারে, শনিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও কথা বলেছেন একই সুরে।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলাইন লেভিট বলেছেন, ‘সর্বোচ্চ নমনীয়তা নিশ্চিত করতে পেন্টাগনকে প্রস্তুত করা তার কাজ। এর মানে এই নয় যে প্রেসিডেন্ট কোনো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’ ট্রাম্প নিজেই বলেছেন, ‘আমি কোথাও সেনা পাঠাচ্ছি না।’
গত ফেব্রুয়ারির শেষে ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ অভিযান শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং ৩০০-এরও বেশি আহত হয়েছেন। ইরানে হামলায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩০০-এরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিও ছিলেন। ইরান পাল্টা হামলায় ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে আঘাত হানছে।
সূত্র- টিআরটি ওয়ার্ল্ড