• ঢাকা শুক্রবার
    ১৫ মে, ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের অবস্থান একই: ট্রাম্প

প্রকাশিত: মে ১৫, ২০২৬, ০২:৪৮ পিএম

ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের অবস্থান একই: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের অবস্থান অভিন্ন। শুক্রবার (১৫ মে) চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে দ্বিতীয় দফা বৈঠক শেষে এ কথা জানান তিনি। এদিকে, স্বাগতিক দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের দাবি— অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক। দু‍‍`দেশের মধ্যে অসাধারণ কিছু বাণিজ্যিক চুক্তি হয়েছে; যাতে লাভজনক হবে উভয়পক্ষ।

এদিন সকালেই চীনের ঐতিহ্যবাহী ঝংনানহাই পোঁছায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাড়িবহর। দ্বিতীয় দফার বৈঠকে অংশ নেন, দু‍‍`দেশের সীমিত সংখ্যক প্রতিনিধি। রুদ্ধদ্বার আলোচনায় সাংবাদিকদের প্রবেশও সীমিত করা হয়।

চা চক্রের মাধ্যমে শুরু হয় আলোচনা। এদিন, ট্রাম্প ও জিনপিংয়ের ওয়ান টু ওয়ান বৈঠক হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রশংসায় ভাসান শি‍‍`কে। বিস্তারিত না জানালেও দাবি, উভয় পক্ষের মধ্যে অসাধারণ কিছু বাণিজ্যিক চুক্তি হয়েছে।

ট্রাম্প বলেন, ‍‍`অসাধারণ এই সফরে ভালো কিছু হয়েছে। বেশকিছু বাণিজ্যিক চুক্তি হয়েছে; যা উভয় দেশের জন্যই চমৎকার। শি‍‍`র ব্যক্তিত্বকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করি। পরস্পরকে একযুগ ধরে চিনি, নিঃসন্দেহে এটা দীর্ঘ সময়। আমরা এমন অনেক সমস্যার সমাধান করেছি; যা অন্যরা পারত না। আমাদের সম্পর্ক খুবই দৃঢ়।‍‍`

ইরান ইস্যুতেও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে বলে জানান ট্রাম্প। তার দাবি, যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান প্রায় অভিন্ন। তিনি বলেন, ‍‍`ইরান নিয়েও আলোচনা হয়েছে। কীভাবে যুদ্ধের অবসান ঘটানো যায়, সে ব্যাপারে দু‍‍`দেশের অবস্থান প্রায় একই। চাই না তাদের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকুক। হরমুজ প্রণালিও খোলা রাখতে চাই।‍‍`

ট্রাম্পের সফরকে যুগান্তকারী আখ্যা দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট। বলেছেন, উপহার হিসেবে চীনা গোলাপের বীজ পাঠাবেন যুক্তরাষ্ট্রে।

শি বলেন, ‍‍` ট্রাম্পের সফরটি ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী। একটি নতুন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অর্থাৎ কৌশলগত স্থিতিশীলতার একটি গঠনমূলক সম্পর্ক স্থাপন করা হয়েছে। একে মাইলফলক সফর বলা যেতে পারে।‍‍`

আলোচনা শেষ হয় মধ্যাহ্নভোজের মাধ্যমে। এর আগে, ট্রাম্পকে ঝংনানহাই ঘুরে দেখান শি। বহুল আলোচিত সফর শেষে এখন বাড়ির পথে মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
 

আর্কাইভ