প্রকাশিত: মে ৮, ২০২৬, ০৭:৩২ পিএম
মিরপুর টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম দিনের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৩০১ রান। এদিন রেকর্ড সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন অধিনায়ক নাজমুল শান্ত। যা কিনা তার ক্যারিয়ারের নবম শতক। সর্বশেষ পাঁচ টেস্টের চারটিতেই তিনি ছুঁয়েছেন ম্যাজিক ফিগার। আবার অধিনায়ক হিসেবেও এটি ছিল শান্তর পঞ্চম সেঞ্চুরি। বাংলাদেশের ক্যাপ্টেন হিসেবে মাত্র ১৭ ম্যাচ খেলে সবচেয়ে বেশি শতকের মালিক এখন শান্ত। তবে শতক থেকে মাত্র ৯ রানের আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়েন মুমিনুল হক। দিনশেষে ৪৮ রানে মুশফিকুর রহিম ও ৮ রানে লিটন দাস অপরাজিত আছেন।
শুক্রবার (৮ মে) টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান।
ব্যাট করতে নেমে ৩১ রানের মধ্যেই বিদায় নেয় বাংলাদেশের দুই ওপেনার। বিপর্যয়ের শঙ্কা যখন জেকে ধরছিলো তখন ত্রাতা অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হক। ২ উইকেটে স্কোর বোর্ডে ১০১ রান যোগ করে লাঞ্চে যান এই দুই ব্যাটার।
দ্বিতীয় সেশনেও ছিলো বাংলাদেশের আধিপত্য। আরও নির্দিষ্ট করে বললে, চলেছে নাজমুল শান্ত দাপট। ৬টি চার ও একটি ছক্কার মারে ফিফটি তুলে নেন টাইগার দলপতি। মুমিমুল হক ছিলেন ধির স্থির। ফিফটি করছেন ১০২ বলে।
তবে দারুণ ব্যাটিং করা শান্ত শতত তুলে নেন দ্রুতই। ১২৯ বলে ক্যারিয়ারেন ৯ম টেস্ট হান্ড্রেড তুলে নেন রাজশাহীর এই ব্যাটার। গত ৫ টেস্টের ৮ম ইনিংসে এটি শান্তর চতুর্থ সেঞ্চুরি।
তবে তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারে পৌছানোর পরই মনসংযোগ হারান কাপ্তান। টি ব্রেকের ৪ বল আগে মোহাম্মদ আব্বাসের পেসে লেগবিফোরের ফাদে পড়েন নাজমুল। ১০১ রানে ফেরেন শান্ত আর ২০১ রানে ৩য় উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
এরপর দলের হাল ধরেন সবচেয়ে অভিজ্ঞ দুই ব্যাটার মুশফিকুর রহিম ও মুমিনুল হক। যখন দুজনের ব্যাটে দিন শেষের স্বপ্ন বিরাজ করছিলো তখনই ঘটে ছন্দপতন। শতক থেকে মাত্র ৯ রান দুরে থেকে নোমান আলীর স্পিনে কাটা পড়েন মুমিনুল হক। ভাঙ্গে ৭৩ রানের জুটি।
এরপর আর ভুল করেনি বাংলাদেশ মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। মুশি ৪৮ আর এলকেডি ৮ রানে অপরাজিত থাকলে ৪ উইকেটে ৩০১ রান করে দিন শেষ করে স্বাগতিকরা।