প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬, ১১:২১ এএম
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের সাথে পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্তকে ক্রীড়া ইভেন্টের মৌলিক উদ্দেশ্যের সাথে সাংঘর্ষিক হিসেবে অভিহিত করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।
সিদ্ধান্তটি পাকিস্তানের ক্রিকেটীয় ইকো-সিস্টেমে প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করেছে তারা। সবার স্বার্থ বিবেচনায় একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজে বের করতে পিসিবির প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
মূলত, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পরেই ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে পর্দা উঠতে যাচ্ছে দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর। কিন্তু তার আগেই ক্রিকেটীয় কূটনীতিতে জমে উঠেছে মাঠের বাইরের খেলা। নিরাপত্তা শঙ্কায় ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিতে বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশের সরে আসার পর এবার নিজেদের পদক্ষেপ নিলো পাকিস্তান। লাল-সবুজদের মতো বিশ্বকাপ বয়কট না করলেও গ্রুপ পর্বে ভারতের সাথে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত দেশটির সরকারের।
এমন পরিস্থিতিতে অবশ্য খুব একটা স্বস্তিতে নেই আইসিসি। এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায় ম্যাচ বয়কটের অবস্থান একটি বিশ্বব্যাপী ক্রীড়া ইভেন্টের মৌলিক উদ্দেশ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
সংস্থাটির মতে, পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া একটি বক্তব্য লক্ষ্য করেছে আইসিসি। যেখানে তারা তাদের জাতীয় দলকে বিশ্বকাপে অংশ নিতে বললেও ভারতের সাথে ম্যাচ বয়কটের কথা বলেছে। এমন পরিস্থিতি বিশ্বব্যাপী ক্রীড়া ক্ষেত্রের মৌলিক উদ্দেশ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আইসিসির টুর্নামেন্টগুলো মূলত সততা, প্রতিযোগিতা, ধারাবাহিকতা ও স্বচ্ছতার ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত। আর পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত প্রতিযোগিতার মূল চেতনা ও পবিত্রতাকে ক্ষুণ্ণ করে।
পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্তের প্রভাব দেশটির ক্রিকেটীয় ইকো সিস্টেমে প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করে আইসিসি
আরও বলা হয়, বিভিন্ন দেশের সরকারের ভূমিকাকে আইসিসি সম্মান জানালেও এমন সিদ্ধান্ত ভক্তদের জন্য অনুকূলে নয়। পিসিবি তাদের নিজ দেশে ক্রিকেটের ওপর এর সুদূরপ্রসারী ও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে বলে আশা করে আইসিসি। কেননা এটি সামগ্রিক ক্রিকেট ইকোসিস্টেমকে প্রভাবিত করতে পারে, পিসিবি যার অন্যতম সদস্য এবং সুবিধাভোগী।
উল্লেখ্য, বিশ্বকাপ সফলভাবে সম্পন্ন করতে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকটি দেশের সমান দায়িত্ব আছে বলে মনে করে আইসিসি। সকলের স্বার্থ বিবেচনায় পিসিবি গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজে বের করবে বলে প্রত্যাশা সংস্থাটির।